১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৩


মধ্যনগরের ভালো নেই ‘ফুটপাতের নরসুন্দররা’

শেয়ার করুন

মধ্যনগর (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি : সুনামগঞ্জের মধ্যনগর সদর বাজারে জীবনের শুরু থেকে নরসুন্দরের কাজ করে যাওয়া সীমিত উপর্জনশীল ৭৫বছর বয়সী ক্ষীরদীশ শীল ভাল নেই। বার্ধক্যের সাথে কমেছে রোজকার। বিগত দিনে ৪/৫শ টেকা কামাই করতাম অহন ১শ টেকার বেশী কামাই হয়না। সবাই মেশিন দিয়া চুল কাটা আর সেপ করত চায়।আমারতো মিশিন নাই। তাই কোনমতে ধার দেনা কইরা বুড়াবুড়ি খাই।১দিন মধ্যিনাগর আর একদিন বংশীকুন্ড কাম করি। একটা বয়স্ক ভাতাও নাই।

মধ্যনগরে ফুটপাতের বসে দুইযুগের বেশী সময়ধরে নরসুন্দরের কাজ করছেন চামরদানী ইউনিয়নের চামরদানী গ্রামের বৃদ্ধ সন্তানহীন বাসিন্দা।তাঁর মনের বদন রোদনদিয়ে আসে একটা মিশিন আর বয়স্কভাতা পাইলে ভালাই অইত আমার লাগি।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, মধ্যনগর সদরের মধ্যবাজারে যুগের পরযুগ ধরে ৮/১০জনের একটি দল প্রতি শনিবারেই জল চৌকিতে বসে উপরে ছাতা টাঙ্গিয়ে এলাকার জনমানুষকে নরসুন্দরের সেবা করে গেছেন তারা। সময়ের সাখে উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহারের ফলে ধ্বংস নেমেছে ফুটপাতে নরসুন্দরের কর্মীদের রোজকারে।এবং কমেছে তাদের সঙ্গী। ৮/১০জন মধ্যে মধ্যপ্রতি হাটে দুজনের দেখা মিলে। বাজারের ফুটপাতে কাজ করেন তবে ভাল নেই তাদের উপর্জন খুব কষ্টে জীবন অতিবাহিত করেন তারা।

সপ্তাহের ৭দিনের মধ্যে ২দিন কাজ করেন একদিন মধ্যনগর ও একদিন বংশীকুন্ডায়। গত বাজারে উপর্জন সম্পর্কে ক্ষীরদীশ শীল জানান বংশীকুন্ডায় গত সপ্তাহে রোজকার করছি ১শত ত্রিশ টাকা,মধ্যনগরে ১শত টাকা।আমরা চুল সেপ ৩০থেকে ৪০টাকা দিয়ে করতে পারি।তবে এখন আমাদের কাছে আর লোকজন আসে না।দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতির বাজারে সীমিত উপর্জনে কিভাবে চলে তাদের পরিবার?

এমতাবস্থায় বৃদ্ধ বয়স্ক ভাতা ও একটি চুলকাটার ইলেকট্রিক মেশিনের ব্যাবস্থার দাবী জানিয়েছেন। যথাযথ কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টিতে আসলে হয়তো সহায়তা হতেপারে বৃদ্ধনরসুন্দর কারিগর ক্ষীরদীশ শীলের।

শেয়ার করুন