৮ অক্টোবর ২০২২
হবিগঞ্জ প্রতিনিধি : হবিগঞ্জ জেলা বাস, মিনিবাস, কোচ ও মাইক্রোবাস শ্রমিক ইউনিয়নের ত্রিবার্ষিক নির্বাচনের জন্য গণপরিবহন বন্ধ রাখা হয়েছে। এতে বিভিন্ন স্থানে আসা-যাওয়া করতে দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন যাত্রীরা।
শনিবার সকাল ৮টায় জেলা শহরের জেকে অ্যান্ড এইচকে হাইস্কুল ও কলেজে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে, বিকেল ৪টা পর্যন্ত চলবে।
এদিকে, নির্বাচন সম্পন্ন করার জন্য কোনো পরিবহন শ্রমিক কাজে যোগ দেননি। এজন্য জেলাজুড়ে গণপরিবহনের চাকা বন্ধ রয়েছে। হবিগঞ্জ বাস টার্মিনাল থেকে কোনো গাড়ি অন্যত্র না যাওয়ায় যাত্রীদের ফিরে যেতে দেখা গেছে। কেউ কেউ ছোট গাড়ি দিয়ে বিকল্প পন্থায় যাথায়াত করলেও এতে ভাড়া লেগে যাচ্ছে কয়েক গুণ।
ঢাকাগামী যাত্রী মো. ফয়সল মিয়া বলেন, জরুরী কাজে ঢাকা যাব। কিন্তু বাস চলাচল বন্ধ থাকার কারণে অসুবিধায় পরলাম। এখন সিএনজি দিয়ে শায়েস্তাগঞ্জ যাব। সেখান থেকে সিলেট বা মৌলভীবাজারের গাড়ি দিয়ে ঢাকা যেতে হবে।
সিলেটযাত্রী মনোয়ার হোসেন বলেন, নির্বাচন হলে গাড়ি চলাচল বন্ধ থাকবে কেন? ভোট দিয়ে এসে শ্রমিকরা গাড়ি চালাতে পারেন। যাত্রীদেরকে এভাবে কষ্ট দিয়ে তাদের কি লাভ আমি জানি না। এখন সিলে কিভাবে যাব বুঝতে পারছি না।
বানিয়াচং উপজেলার ফারুক মিয়া বলেন, ঢাকা যাওয়ার উদ্দেশ্যে হবিগঞ্জে এসেছিলাম। কিন্তু সরাসরি গাড়ি না থাকায় ছোট গাড়ি দিয়ে শায়েস্তাগঞ্জ যেতে হচ্ছে। সেখান থেকে বাসে ঢাকায় যাব।
একই কথা জানিয়েছেন, সুমাইয়া আক্তার, নূর আলী ও কামরুল হাসানসহ আরও কয়েকজন।
হবিগঞ্জ জেলা মটর মালিক গ্রুপের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আবু মঈন চৌধুরী সোহেল বলেন, হবিগঞ্জ জেলা বাস, মিনিবাস, কোচ ও মাইক্রোবাস শ্রমিক ইউনিয়নের ত্রি-বার্ষিকী নির্বাচন থাকার কারণে মটর মালিক গ্রুপের আওতাধীন সকল বাস মিনিবাস মাইক্রোবাস চলাচল বন্ধ রয়েছে। ইতোমধ্যে বিষয়টি জানিয়ে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দেয়া হয়েছে। সে কারণে যাত্রীরা খুব একটা দুর্ভোগের শিকার হবেন না। যাত্রীদের সাময়িক অসুবিধার জন্য আমরা দুঃখ প্রকাশ করছি।
হবিগঞ্জ জেলা বাস, মিনিবাস, কোচ ও মাইক্রোবাস শ্রমিক ইউনিয়ন নির্বাচনের প্রধান নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমান জানান, নির্বাচনে ২০টি পদের বিপরীতে ৪৮ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নেমেছেন। তবে সভাপতি পদে মো. শহিদ উদ্দিন চৌধুরী ও সহ-সাধারণ সম্পাদক পদে মো. শাহিন মিয়া বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন।