১২ জানুয়ারি ২০১৮
গোয়াইনঘাট প্রতিনিধি : নিরক্ষর মুক্ত সমাজ গঠনের লক্ষে যুব সমাজের উদ্যোগে ২০১৫ সালে গোয়াইনঘাট উপজেলার গুচ্ছগ্রাম এলাকায় প্রতিষ্টিত হয় গুচ্ছগ্রাম প্রাথমিক বিদ্যালয় নামক একটি শিক্ষা প্রতিষ্টান। প্রতিষ্টার শুরু থেকেই তিন বছরে পিএসসি সমাপনী পরীক্ষায় শত ভাগ সাফল্য অর্জন করতে সচেষ্ট হয় বিদ্যালয়টি।
তারই ধারাবাহিকতায় ধাপে ধাপে এগিয়ে চলছে শিক্ষার রথ যাত্রা। কিন্তু ধারাবাহিক সাফল্যে ভরপুর থাকলেও এখন পর্যন্ত আলোর মুখ পড়েনি প্রতিষ্ঠানটিতে। দু’চালা টিনের ঘরেই বসে শিক্ষানবিশ করতে হয় ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের। গরমের দিনে গরমের অসস্থি আর বৃষ্টির দিনে পড়তে হয় নানা সমস্যায়।
কয়েক বছর ধরে বিদ্যালয়টি সরকারের সুনজরে দিতে আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন বিদ্যালয় পরিচালনাকারীর সদস্যরা। অবহেলিত ও পথ শিশুদের পাঠদান দিতেই যেন এই বিদ্যালয়ের মূল লক্ষ্য। ধারাবাহিক সাফল্য থাকার পরও সরকারিকরনের আশায় প্রহর গুণতে হচ্ছে অবহেলিত এ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের।
বিদ্যালয় বাস্তবায়ন কমিটির আহবায়ক ও গোয়াইনঘাট প্রেসক্লাবের যুগ্ন সম্পাদক মো. করিম মাহমুদ লিমন জানান, ২০১৫ সালে নিরক্ষর মুক্ত সমাজ গঠনের লক্ষে স্থানীয় কয়েকজন তরুণ-তরুণীর একান্ত প্রচেষ্টায় বিদ্যালয়টি প্রতিষ্টিত হয়। আর প্রতিষ্টিত হওয়ার পর থেকেই বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ধারাবাহিক সাফল্য বয়ে আনছে। তবে বিদ্যালয়ের দিকে সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষ একটু সু-নজর দিলেই আরো ভালো ফলাফল বয়ে আনা সম্ভব বলে তিনি মনে করছেন।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সোহেল আহমদ জানান, বিদ্যালয়টি শুরুর লগ্ন থেকেই ২০১৫, ২০১৬ ও ২০১৭ সালের পিএসসি পরীক্ষায় ধারাবাহিকভাবে শত ভাগ সাফল্য অর্জন করে বিদ্যালয়টি। তারপরও যেন সরকারিকরণ হচ্ছে না। আমি সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের একটু সহানূুভূতির আশা করছি। তাছাড়া এ বিদ্যালয়ে ৭-৮জন শিক্ষক বিনা বেতনে নিয়মিত পাঠদান করছেন।
এ ব্যাপারে গোয়াইনঘাট উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার রেজাউল ইসলাম জানান, গুচ্ছগ্রাম প্রাথমিক বিদ্যালয়টিকে আমরা সব সময় অগ্রাধিকার দেই। এবং বিদ্যালয়টি অল্প দিনেই অনেক সুনাম বয়ে আনছে। স্কুলটি যাতে সরকারিকরণ হয় আমরা সে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। আশা করা যায় যথা শীঘ্রই খুশির সংবাদ পাওয়া যাবে।
(আজকের সিলেট/১২ জানুয়ারি/ডি/এসটি/ঘ.)