৪ জানুয়ারি ২০১৮


ওসমানীনগর উপজেলা কমপ্লেক্সের ভূমি অধিগ্রহণে অনিয়মের অভিযোগ

শেয়ার করুন

ওসমানীনগর প্রতিনিধি : ওসমানীনগরের জনপ্রতিনিধিদের লিখিত সিদ্ধান্তকে উপেক্ষা করে উপজেলা কমপ্লেক্সের ভূমি অধিগ্রহণে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। পূর্ব সিদ্ধান্ত অনুযায়ী গোয়ালাবাজার ও তাজপুর ইউনিয়নের মধ্যবর্তী স্থানে দুই ইউনিয়নের সম পরিমাণ ভূমি অধিগ্রহণের কথা থাকলেও শুধু তাজপুর ইউনিয়নের ভূমি অধিগ্রহণ করা হয়েছে।

সর্বশেষ বুধবার সকালে সিলেটের জেলা প্রশাসক রাহাত আনোয়ারের কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে এ ব্যাপারে স্মারকলিপি প্রদান করেছেন গোয়ালাবাজার এলাকাবাসী।

এলাকাবাসী স্মারকলিপিতে উল্লেখ করেন, ওসমানীনগর উপজেলা ঘোষণার পূর্ব থেকেই উপজেলা কার্যালয়ের স্থান নিয়ে মতবিরোধ দেখা দেয়। এই জটিলতা নিরসনের জন্য ২০১০ সালের ২ ডিসেম্বর উপজেলার ৮ ইউনিয়নের চেয়ারম্যানসহ এলাকার সচেতন ব্যক্তিরা এক সভায় মিলিত হন।

সভায় উপজেলার কার্যালয় স্থাপনের জন্য তাজপুর ও গোয়ালাবাজার ইউনিয়নের মধ্যবর্তী দুলিয়ারবন্দ এবং ইলাশপুর মৌজা থেকে সমান সমান ভূমি অধিগ্রহণের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। একই সভায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং পৌরসভা বাস্তবায়ন হলে এর কার্যালয় গোয়ালাবাজারে স্থাপনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সভার সিদ্ধান্ত সমূহ রেজুলেশন আকারে তৎকালীন বালাগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে প্রদান করা হয়।

২০১৪ সালে ওসমানীনগর উপজেলা ঘোষণার পর ২০১৫ সালে জুলাই মাসে দাপ্তরিক কার্যক্রম শুরু হয়। কিন্তু সম্প্রতি জানা যায়, জনপ্রতিনিধিদের মতামতকে উপেক্ষা করে কার্যালয় স্থাপনের জন্য শুধু তাজপুর ইউনিয়নের দুলিয়ারবন্দ মৌজা থেকে ৬ একর জমি অধিগ্রহণ হয়েছে।

বিষয়টি জানতে পেরে গোয়ালাবাজারবাসী ক্ষোভে ফুসে উঠেছে। অধিগ্রহণকৃত জায়গায় উপজেলা কমপ্লেক্স নির্মাণের প্রস্তÍতি বন্ধ করে জনপ্রতিনিধিদের সিদ্ধান্ত মোতাবেক দুই ইউনিয়ন থেকে জায়গা অধিগ্রহণের অনুরোধ জানান এলাকাবাসী।

স্মারকলিপি প্রদানকালে উপস্থিত ছিলেন গোয়ালাবাজার ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আতাউর রহমান মানিক, পরিবহন মালিক সমিতি নেতা শাহ নুরুর রহমান সানুর, আলাউর রহমান, প্রবাসী মুহিদুর রহমান (লাল), আবদুল কুদ্দুছ শেখ, ইউপি সদস্য জিলু মিয়া, আবদুস সামাদ, বাজার ব্যবস্থাপনা কমিটির সেক্রেটারি তাজ উদ্দিন, ব্যবসায়ী রেজওয়ানুর রহমান চৌধুরী শাহিন, আনহার আহমদ, বশির আহমদ, শংকর সেন প্রমুখ।

(আজকের সিলেট/৪ জানুয়ারি/ডি/কেআর/ঘ.)

শেয়ার করুন