২৯ অক্টোবর ২০২৩
নিজস্ব প্রতিবেদক : সরকার পতনের এক দফা দাবিতে রবিবার সকাল-সন্ধ্যা হরতাল পালন করছে বিএনপি। হরতাল চলাকালে সকাল ৮টা থেকে মহানগরের বন্দর ও জিন্দাবাজার এলাকায় দফায় দফায়-বিএনপি ও তাদের অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীর মিছিল বের করে। এ সময় পলিশ বাধা দিলে বিএনপি নেতাকর্মীদের সাথে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে পুলিশের।
এসময় পলিশলে লাঠি চার্জে ও রাবার বুলেটে বিকএনপির বহু নেতাকর্মী আহত হয়। হরতালের সমর্থনকারীদের ইট-পাটকেলে পুলিশের অন্তত ৫ সদস্য আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের (এসএমপি) উপ-কমিশনার (উত্তর) আজবাহার আলী শেখ (পিপিএম)।
সূত্র মতে হরতাল চলাকালে কুলাউড়ায় সিলেট রেঞ্জ পুলিশের ৫ সদস্য আহত হয়েছেন । পুলিশ সদস্যরা হচ্ছেন-কুলাউড়া থানার এসআই জহিরুল ইসলাম, এসআই সনাক কান্তি দাস, কনস্টেবল সাইফুল ইসলাম, সুব্রত তালুকদার ও ইমাম উদ্দিন।
সকাল থেকে সিলেটে নিরব হরতাল থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে উত্তপ্ত হতে শুরু করে। সকাল ৮টার পর থেকে বিভিন্ন স্থানে অতর্কিত পিকেটিং করছে বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা। তারা ভাঙচুর করছেন যানবাহন। পুলিশের দিকে ছুঁড়ছেন ইট-পাটকেল। তবে পুলিশও তাদের ঠেকাতে কঠোরভাবে রয়েছে মাঠে। যে স্থানেই বিএনপি-জামায়াত নেতাকর্মীরা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করার চেষ্টা করছেন সেখানেই উপস্থিত হয়ে টিয়ার সেল ও রাবার বুলেট নিক্ষেপ করে ছত্রভঙ্গ করে দিচ্ছে তাদের।
স্থানে স্থানে পিকেটিংয়ের কারণে সিলেট-ঢাকা মহাসড়ক যানশূন্য হয়ে পড়েছে। নিরাপত্তার অজুহাতে পরিবহন শ্রমিকরাও সকাল থেকে বাস চলাচল বন্ধ রেখেছেন। সিলেট থেকে ছেড়ে যায়নি দূরপাল্লার বাস ও ট্রাক। আঞ্চলিক সড়কগুলোতেও চলনি গণপরিহন। এতে জরুরি প্রয়োজনে ঘর থেকে বের হওয়া লোকজন পড়েন বিপাকে। অনেকেই পায়ে হেঁটে গেছেন নিজ নিজ গন্তব্যে।
সকাল ১০টার দিকে সিলেট কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালে গিয়ে দেখা যায়- সেখানে সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে ছিল যাত্রীবাহী বাসগুলো। এসময় পরিবহন শ্রমিকরা বলেন- যাত্রী নেই। রাস্তায় বেরোলে গাড়ি ভাঙচুরে আশঙ্কা রয়েছে। সবকিছু মিলিয়ে গাড়ি বন্ধ রেখেছি আমরা। আশা করি- বিকাল নাগাদ গাড়ি চলাচল শুরু হবে।
এদিকে, ব্যক্তিগত গাড়িও সিলেটে রাস্তায় খুব কম বের হয়েছে ।