১৪ জুন ২০২২
নিজস্ব প্রতিবেদক : গোয়াইনঘাটের বহুল আলোচিত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাহমিলুর রহমান, ওসি নজরুল ইসলাম সহ ১০ জনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়েমের অভিযোগে করা একটি মামলা তদন্তে দুর্নীতি দমন কমিশনকে (দুদক) নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
মঙ্গলবার দুপুরে গোয়াইনগাটের ইসনাদ হোসেন রাজীব নামে এক ব্যক্তির করা মামলার আবেদন শুনানি শেষে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মশিউর রহমান এটি আমলে নিয়ে তা দুদককে তদেন্তর নির্দেশ দেন।
মামলার আসামিরা হলেন- গোয়াইনঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাহমিলুর রহমান, সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. তানভীর হোসেন, থানার ওসি কে এম নজরুল ইসলাম, পুলিশের উপপরিদর্শক মো. জাহাঙ্গীর, এসআই মো. জহির মিয়া, ভূমি অফিসের তহসিলদার প্রনব কান্তি দাস, উপজেলার লামা সাতাইং গ্রামের আব্দুস শহিদ, পুকাশ গ্রামের মৃত আব্দুল আলীর ছেলে আরিফ উদ্দিন ও গারো গ্রামের আজমত উল্লাহ।
এর আগে গত সোমবার গোয়াইনঘাট উপজেলার পূর্ণানগর গ্রামের মো. ইসনাদ হোসেন রাজীব বাদি হয়ে ১০ জনের বিরুদ্ধে সিলেটের জেলা ও দায়রা জজ আদালতে স্পেশাল ট্রাইব্যুনালে দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, দুর্নীতি দমন কমিশন আইন এবং মানি লন্ডারিং আইনে মামলার আবেদন করেন।
তবে আদালতে দুদককে তদন্তের যে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এই বিষয়ে জানতে চাইলে দুদক সচিব মাহবুব হোসেন বলেন, আমরা এই বিষয়ে এখনও কিছু জানতে পারিনি। আজই এমন নির্দেশ জারি হলে সেটা আসতে হয়তো সময় লাগবে। দুদকের তফসিলভুক্ত হলে অবশ্যই দুদক সেটা তদন্ত করবে। তবে এই বিষয়ে দুদক এখনও কোনো নির্দেশনা পায়নি।
উল্লেখ্য, গত ৫ মে সিলেটে পর্যটন এলাকা জাফলংয়ে প্রবেশের জন্য টোল ফি রাখাকে কেন্দ্র করে কথা কাটাকাটির জেরে স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবকরা পর্যটকদের বেধড়ক পিঠিয়েছে। মূলত পর্যটন এলাকায় বেআইনিভাবে টোল আদায়েরে জের ধরেই সংঘর্ষ বাঁধে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, পর্যটন এলাকায় প্রভাবশারীদের হাত করেই গোয়াইনগাট উপজেলার উপজেলাল নির্বাহী কর্মকর্তা, সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও থানার ওসি দিনের পর দিন বিভিন্ন অনিয়ম করে আসছেন।