২৯ মে ২০২২


সিলেটে লাইসেন্স ছাড়াই চলছে ৩৯ ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার

শেয়ার করুন

ডেস্ক রিপোর্ট : নগরীর রিকাবীবাজার এলাকায় স্টেডিয়াম মার্কেটে লাইসেন্স ছাড়াই দীর্ঘ ৮ বছর ধরে চলে আসা ‘সিলেট ইন-ডেন্টাল ক্লিনিক ও সেন্ট্রাল ডায়াগনস্টিক সেন্টার’ নামের একটি চিকিৎসা প্রতিষ্ঠান অভিযান চালিয়ে বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। শুধু এটিই নয় বৈধ কাগজপত্রহীন ও নিয়ম বহির্ভূতভাবে পরিচালিত বেসরকারি ৩৯টি হসপিটাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার রয়েছে সিলেটজুড়ে। যার মধ্যে সিলেট নগরীতে ১৬ টি ও উপজেলাগুলোতে ২৩ টি। নিবন্ধন ছাড়াই অবৈধভাবে কার্যক্রম চালিয়ে আসছে এসব প্রতিষ্ঠান।

রোববার সকাল থেকে সিলেট জেলা প্রশাসন, সিভিল সার্জন ও ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সমন্বয়ে বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।

এরইমধ্যে সিলেটের স্টেডিয়াম মার্কেটের একটি ডেন্টাল ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার, দরগাহ গেইট এলাকার একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও ফার্মেসিকে বন্ধ এবং বিশ্বনাথের দুটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে জরিমানা করা হয়েছে।

জানা গেছে, রবিবার বেলা ১১টা থেকে ২টা পর্যন্ত সিলেটের বিশ্বনাথে অভিযান চালিয়ে দুটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে ৩৫ হাজার জরিমানা করেছেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর সিলেট জেলা কার্যালয় পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালত।

জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. আমিরুল ইসলাম মাসুদের নেতৃত্বে পরিচালিত এ অভিযানে বিশ্বনাথ উপজেলার মা মনি ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে ১৫ হাজার এবং সন্ধানী ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এসব ডায়াগনস্টিক সেন্টারের গবেষণাগারে বিভিন্ন টেস্টের বিপুল পরিমাণ মেয়াদবিহীন ও মেয়াদউত্তীর্ণ উপকরণ (রিএজেন্ট) পাওয়া যায়।

অপরদিকে, বিকেল সাড়ে ৩টা থেকে সিলেট নগরীতে অভিযান শুরু করে জেলা প্রশাসন, সিভিল সার্জন ও ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সমন্বয়ে গঠিত টিম। অভিযানকালে দরগাহ গেইটের (পশ্চিম) আশ-শেফা মেডিকেল সার্ভিসেস ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও আশ-শেফা ফার্মেসিকে সিলগালা করা হয়। এর মধ্যে ফার্মেসির ছিলো না ড্রাগ লাইসেন্স এবং ডায়াগনস্টিক সেন্টারেরও ছিলো না বৈধ কাগজপত্র।

এরপর অভিযান চালানো হয় সিলেটের স্টেডিয়াম মার্কেটে। সেখানে ‘সিলেট ইন-ডেন্টাল ক্লিনিক ও সেন্ট্রাল ডায়াগনস্টিক সেন্টার’ নামের একটি প্রতিষ্ঠানকে লাইনসেন্স না থাকায় সিলগালা করা হয়। ২০১৪ সাল থেকেই সেটি লাইন্সেবিহীন অবস্থায় পরিচালিত হচ্ছে বলে জানা গেছে।

জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষন অধিদপ্তরের সিলেট জেলা কার্যালয়ের সহকারি পরিচালক মো. আমিরুল ইসলাম মাসুদ জানান, এসব ডায়গনস্টিক সেন্টারের গবেষনাগারে বিপুল পরিমান মেয়াদবিহীন ও মেয়াদউত্তীর্ণ রোগ নির্নয়ের সামগ্রি পাওয়া গেছে।

শেয়ার করুন