২৯ মে ২০২২
ডেস্ক রিপোর্ট : বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান প্রফেসর ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেছেন, মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ছিলেন স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্নদ্রষ্টা। ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি শুধু স্বাধীনতার ঘোষনা দিয়েই বসে থাকেননি, নিজের জীবন বাজি রেখে মুক্তিযুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়েন। বিএনপি মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের মূল শক্তি ও গণতন্ত্রের প্রতিষ্ঠাতা। একদলীয় বাকশালী শাসনে বিধ্বস্ত গণতন্ত্রের গোরস্থানের উপর দাঁড়িয়ে শহীদ জিয়াউর রহমান বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছেন। সুতরাং শহীদ জিয়াকে মুছে ফেলার ষড়যন্ত্র করে কোন লাভ নেই। কারণ যতদিন
বাংলাদেশ থাকবে ততদিন শহীদ জিয়া জনতার হৃদয়ে বেচে থাকবেন।
রোববার সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪১তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে সিলেট জেলা বিএনপি আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি উপরোক্ত কথা বলেন।
তিনি বলেন, শহীদ জিয়া মুক্তিযুদ্ধে যেভাবে দেশকে নেতৃত্ব দিয়েছেন তেমনী দেশের ক্রান্তিলগ্নে মুখ থুবড়ে পড়ে থাকা গণতন্ত্রকে পুনঃপ্রবর্তন করেছেন। বাংলাদেশ, মুক্তিযুদ্ধ, স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও শহীদ জিয়া একই সূত্রে গাথা। জিয়াউর রহমানের সুযোগ্য নেতত্ব এবং সুশাসনকে ইতিহাসের সোনালী অধ্যায় হিসেবে জাতি শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করে। কতিপয় বিপথগামী সেনা কর্মকর্তা বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা জিয়াকে শহীদ করে বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রাকে থামিয়ে দিতে চেয়েছিল। কিন্তু তারা ব্যর্থ হয়েছে। কারণ শহীদ জিয়ার সুযোগ্য সহধর্মিনী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া দেশের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন। ফ্যাসিস্ট সরকার জিয়া পরিবারের জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে আপোষহীন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে ষড়যন্ত্রমুলক মিথ্যা মামলার ফরমায়েসী রায়ে সাজা দিয়ে গৃহবন্দী করে রেখেছে। দেশনায়ক তারেক রহমানের উপর একের পর এক মিথ্যা মামলা, গ্রেফতারী পরোয়ানা এবং ফরমায়েসী সাজা প্রদান করছে। জাতির এই ক্রান্তিলগ্নে জিয়াউর রহমানের জীবন থেকে শিক্ষা নিয়ে জাতিকে রক্ষার দৃঢ় শপথ নিতে হবে।
সিলেট জেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরীর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট এমরান আহমদ চৌধুরীর পরিচালনায় নগরীর দরগাগেইটস্থ শহীদ সুলেমান হলে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন- বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সিলেট সিটি মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী, বিএনপির কেন্দ্রীয় সিলেট বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক সাবেক এমপি কলিম উদ্দিন মিলন, বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সিলেট জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আবুল কাহের চৌধুরী শামীম।
আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন- সিলেট জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি এডভোকেট আশিক উদ্দিন আহমদ, জেলা আহবায়ক কমিটির সাবেক সদস্য আশিক উদ্দিন চৌধুরী, মাহবুবুর রব চৌধুরী ফয়সল, শাহজামাল নুরুল হুদা, মামুনুর রশীদ মামুন, জেলার সাংগঠনিক সম্পাদক শামীম আহমদ, জেলার আহবায়ক কমিটির সাবেক সদস্য ইশতিয়াক আহমদ সিদ্দিকী, সিদ্দিকুর রহমান পাপলু, এডভোকেট হাসান আহমদ পাটোয়ারী রিপন, অধ্যাপিকা সামিয়া বেগম চৌধুরী, আব্দুল আহাদ খান জামাল, মাহবুবুল হক চৌধুরী, জেলা বিএনপি নেতা কামরুল হাসান শাহীন, সদর বিএনপি সভাপতি আবুল কাশেম, জেলা কৃষকদলের আহবায়ক শহীদ আহমদ চেয়ারম্যান, জেলা মৎস্যজীবী দলের আহবায়ক এ কে এম তারেক কালাম, দক্ষিণ সুরমা উপজেলা সাধারণ সম্পাদক কুহিনুর আহমদ, জাসাস নেতা নিজাম উদ্দিন তরফদার, জেলা যুবদলের ভারপ্রাপ্ত আহবায়ক এডভোকেট মোমিনুল ইসলাম মুমিন, সদস্য সচিব মকসুদ আহমদ, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব আজিজ হোসেন আজিজ, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব দেওয়ান জাকির হোসেন খান, জেলা শ্রমিক দলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাসুকে এলাহী, জেলা মহিলা দলের সভানেত্রী সালেহা কবির শেপী, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি আলতাফ হোসেন সুমন, মহানগর ছাত্রদলের সভাপিত সুদীপ জ্যোতি এষ, জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক দিলোয়ার হোসেন দিনার ও মহানগর ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক ফজলে রাব্বী আহসান প্রমূখ।