১১ জুলাই ২০১৭


ওসমানীনগরে পলাতক আসামীদের বাড়ি লুটপাটের অভিযোগ

শেয়ার করুন

ওসমানীনগর প্রতিনিধি : ওসমানীনগর উপজেলার উমরপুর ইউনিয়নের সৈয়দ মান্দারুকা গ্রামের মসজিদে শীতাতপ নিয়ন্ত্রক যন্ত্র (এসি) লাগানোকে কেন্দ্র করে গ্রামের দুই পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনায় মামলা তদন্তাধীন থাকা অবস্থায় আসামী পক্ষের বাড়িতে বাদিপক্ষের হামলা ও ভাংচুরের অভিযোগ পাওয়া গেছে। একইসময় আসামী পক্ষের গৃহপালিত গরুও ছিনতাই করে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে বাদি পক্ষের বিরুদ্ধে।

জানা গেছে, ১০ জুন সৈয়দ মান্দারুকা গ্রামের সৈয়দ মান্দারুকা জামে মসজিদে শীতাতপ নিয়ন্ত্রক যন্ত্র (এসি) লাগানোকে কেন্দ্র করে গ্রামের দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ ঘটনায় ঘটে। সংঘর্ষে আহত হয়ে ঘটনার ২৪ দিন পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় সিলেটর একটি প্রাইভেট হাসপাতালে সৈয়দ হিরা মিয়া (৫৫) নামের একজনের মৃত্যু হয়। ৫ জুলাই তাঁর মৃত্যুর খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে বাদি পক্ষ আরো বেপরোয়া হয়ে উঠে। হত্যা মামলার পলাতক থাকা আসামী আব্দুল লতিবের বাড়িতে লুটপাট, অপর আসামী আব্দুল শহিদের বাড়ি ভাংচুর ও বশর মিয়ার গরু ছিনতাইয়ের অভিযোগ করেছেন আসামী পক্ষের লোকজন।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ওসমানীনগর থানার এসআই অনুজ কুমার দাশ আহত সৈয়দ হিরা মিয়ার মৃত্যুর বিষয়ে দায়েরকৃত মামলায় হত্যার বিষয়টি উল্লেখ করে আদালতে দ্রæত প্রতিবেদন প্রেরন করেন।

সৈয়দ মান্দারুকা গ্রামের মৃত ওয়াব উল্যার পুত্র আব্দুল লতিব বলেন, আমি প্রবাসী মানুষ দেশের টানে বাড়িতে আসি। ঘটনার দিন সংঘর্ষে আমিও আহত হই। কিন্তু হিরা মিয়ার মৃত্যু হওয়ায় অপর পক্ষ হত্যা মামলা দায়ের করেন। বিজ্ঞ আদালত এ বিচার করবেন। আমরা বাড়িতে না থাকায় বাদীপক্ষ ৭ জুন থেকে প্রতিদিন আমার ঘর থেকে মালামাল লুট করে নিয়ে যাচ্ছেন।

সৈয়দ মান্দারুকা গ্রামের মনোহর আলীর পুত্র আব্দুল শহিদ বলেন, আমার বাড়ি থেকে স্বর্ণ ও মালামাল হিরা মিয়ার মৃত্যুর রাতে লুট করে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

মামলার বাদী সৈয়দ মতিন মিয়া লুটপাট ও ভাংচুরের বিষয় অস্বীকার করেছেন।

ওসমানীনগর অফিসার ইনচার্জ মো. সহিদউল্যা জানান, আসামী পক্ষের বাড়িতে লুটপাটের বিষয়টি আমার জানা নেই। কেউ লিখিত অভিযোগ জানালে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

 

(আজকের সিলেট/১১ জুলাই/ডি/আর/এসটি/ঘ.)

শেয়ার করুন