১৭ মে ২০২২


সিলেটের সকল উপজেলায় বন্যা নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র ও আশ্রয়কেন্দ্রে খোলা হয়েছে

শেয়ার করুন

নিজস্ব প্রতিবেদক : সিলেটে চলমান বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির জরুরী সভা করেছে জেলা প্রশাসন। সভায় সরকারের সংশ্লিস্ট সকল দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

মঙ্গলবার সকালে জেলা প্রশাসক মো. মজিবুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্টিত সভায় মন্ত্রী পরিষদ বিভাগের চিঠি উত্থাপন করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) আনোয়ার সাহাদাত।

তিনি জানান, সিলেটে এপর্যন্ত সর্বমোট ৫৭৫ মিলি মিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। জেলার কানাইঘাট, গোয়াইনঘাট ও জৈন্তাপুরে নদীর পানি বিপদসীমার উপর দিয়ে অতিবাহিত হচ্ছে। এপর্যন্ত বন্যায় সিলেটে ৩ জনের প্রাণহানী হয়েছে।জেলা ও উপজেলায় বন্যা নিয়ন্ত্রণ করতে কেন্দ্র ও আশ্রয়কেন্দ্রে খোলা হয়েছে। টিলার পদদেশ ও ঝুকিপূর্ণ স্থানে বসবাসরতদের সরিয়ে নেয়া হচ্ছে। বন্যা দূর্গতের সহায়তায় এপর্যন্ত ১২৯ মে. টন চাল বরাদ্ধ দেয়া হয়েছে। জেলা ত্রাণ তহবিলে বর্তমানে ৮০ মে. টন চাল ও ৩৫ হাজার টাকা অবশিষ্ট রয়েছে। তবে এটি অত্যন্ত অপ্রতুল। আরো বরাদ্ধের জন্য মন্ত্রণালয়ে চাহিদা পাঠানো হয়েছে।

সভায় বক্তব্য রাখেন- সিলেটের পুলিশ সুপার ফরিদ উদ্দিন পিপিএম, সিলেট সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আশফাক আহমদ কানাইঘাট উপজেলা চেয়ারম্যন আব্দুল মোমিন চৌধুরী, বিয়ানীবাজার উপজেলা চেয়ারম্যান আবুল কাশেম পল্লব, জৈন্তাপুর উপজেলা চেয়ারম্যান কামাল আহমদ, বিশ্বনাথ উপজেলা চেয়ারম্যান এস.এম নুনু, সিলেটের সিভিল সার্জন ডা. এসএম শাহরিয়ার আলম, কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা লুসিকান্ত হাজং, গোয়াইনঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাহমিলুর রহমান, বিয়ানীবাজার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আশিক নুর, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নুসরাত আজমেরী হক,  বিশ্বনাথ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নুসরাত জাহান, বালাগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রোজিনা আক্তার, ওসমানীনগরের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নীলিমা রহমান, ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সীমা শারমিন, দক্ষিণ সুরমা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নূসরাত লায়লা নীরা, জৈন্তাপুরের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আল-বশিরুল ইসলাম, গোলাপগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বোরহান কবির, সিলেট সিটি কর্পোরেশনের নির্বাহী প্রকৌশলী রুহুল আলম।

শেয়ার করুন