২ মে ২০২২
ডেস্ক রিপোর্ট : সাউথ ইন্ডিয়ান হিরো আল্লু আরজুনের পুষ্পা ছবি, ইয়াশের ‘কেজিএফ’, ভূবন বাদ্যকরের ‘কাঁচা বাদাম’ আর শারারা-গারারা নামে ভারতীয় পোশাকের দখলে সিলেটের বিপনী বিতানগুলো।
করোনা মহামারীর কারণে গত দুই বছর শপিংমল, বিপনী বিতানগুলো ছিল বন্ধ। শোনাও যায় নি আজগুবি নামের এসব পোশাকের।
করোনা ছাপিয়ে এবার সরব হয়ে উঠেছে নগরীর নয়াসড়ক, কুমারপাড়া, জেলরোড, বারুতখানা, জিন্দাবাজার, চৌহাট্রার সকল মার্কেট-শপিংমলগুলো।
সরেজমিনে বেশ কয়েকটি শপিংমল ঘুরে দেখা যায়, ভারতীয় পোশাকে ছেয়ে গেছে। ৪০০০টাকা থেকে ৮/১০ হাজার টাকা পর্যন্ত দামে এসব ভারতীয় পোশাক বিক্রি হচ্ছে। ঈদ উৎসবকে আরো রঙিন করতে উজ্জ্বল রঙের হাল ফ্যাশনের দেশীয় পোশাকের প্রতিই ক্রেতাদের ঝোঁক বেশি বলে জানালেন বিক্রেতারা।
এখনো ক্রেতা সমাগম বেশী তবে চাঁদরাত পর্যন্ত ক্রেতাদের সমাগম আরও দীগুন হবে বলে আশা করছেন ব্যবসায়ীরা।
এছাড়াও আগের মত বাহুবলি ২, রাখি, বন্ধন, খোকাবাবু, জামাই রাজাসহ ভারতীয় বিভিন্ন সিরিয়াল আর ছবির নামে ঝলমলে পোশাকের পসরায় ঈদ আয়োজনে প্রস্তুত বিপনীবিতানগুলো।
জরি, পাথর, চুমকির কাজ করা জমকালো এসব পোশাকেই আগ্রহী ক্রেতারা। ক্রেতা চাহিদার কথা মাথায় রেখেই পোশাকগুলোর এমন নামকরণ জানালেন বিক্রেতারা। ক্রেতা সমাগম খুব একটা ছিল না, তবে এতে হতাশও নন বিক্রেতারা।
এ সময়ে আবহাওয়ায় চলছে রোদ-বৃষ্টির খেলা আর তাই আবহাওয়ার এই খামখেয়ালির সঙ্গে আরামের কথা মাথায় রেখে দেশিয় কাপড়ের তৈরি পোশাকগুলোই পছন্দ করছেন বেশিরভাগ ক্রেতা। নতুন পোশাক ছাড়া যেকোনো উৎসবই যেনো অসম্পূর্ণ। নতুন পোশাক উৎসবের আমেজকে বাড়িয়ে দেয় বহুগুণে।