১৩ এপ্রিল ২০২২
আন্তর্জাতিক ডেস্ক : বৈশ্বিক মহামারি প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় বিশ্বে ৩ হাজার ১২৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে বিশ্বব্যাপী মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬২ লাখ ৯ হাজার ১৫৪ জনে। এছাড়া একই সময়ে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন আরো ১০ লাখ ২০ হাজার ২৩৭ জন। এ নিয়ে বিশ্বে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫০ কোটি ৮ লাখ ২৫ হাজার ৫৯৮ জনে।
বুধবার সকালে করোনায় আক্রান্ত, মৃত্যু ও সুস্থতার হালনাগাদ সংখ্যা প্রকাশকারী ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডোমিটার্স থেকে এসব তথ্য পাওয়া গেছে। আগের দিন মঙ্গলবার বিশ্বব্যাপী করোনায় ১ হাজার ৯৮৫ জনের মৃত্যু এবং ৫ লাখ ২১ হাজার ৯২১ জন আক্রান্ত হয়েছিলেন।
ওয়ার্ল্ডোমিটারসের তথ্য অনুযায়ী, একই সময়ে করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন ৩ লাখ ৭৪ হাজার ৪৬২ জন মানুষ। এ পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হওয়ার পর সুস্থ হয়ে উঠেছেন মোট ৪৫ কোটি ১২ লাখ ৯০ হাজার ৭৮৪জন। বিশ্বে বর্তমানে সক্রিয় করোনা রোগীর সংখ্যা ৪ কোটি ৩৬ লাখ ৬৪ হাজার ৩২৬ জন। এই রোগীদের মধ্যে করোনার মৃদু উপসর্গ বহন করছেন ৪ কোটি ৩৬ লাখ ২০ হাজার ৯১০ জন এবং গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় আছেন ৪৩ হাজার ৪১৬ জন।
ওয়ার্ল্ডোমিটারসের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, দক্ষিণ কোরিয়ায় আক্রান্ত হয়েছেন ২ লাখ ১০ হাজার ৬৭৬ জন এবং মারা গেছেন ১৭১ জন। জার্মানিতে আক্রান্ত হয়েছেন ১ লাখ ৬৪ হাজার ৬২৮ জন এবং মারা গেছেন ২৮৮ জন। ব্রাজিলে সংক্রমিত হয়েছেন ৪২২ হাজার ৭২৪ জন এবং মারা গেছেন ৬৩ জন। ভারতে আক্রান্ত হয়েছেন ৪৬০ জন এবং মারা গেছেন ২৩ জন। ফ্রান্সে সংক্রমিত হয়েছেন ২১ লাখ ৯০ হাজার ৭৬২ জন এবং মারা গেছেন ১৫৯ জন। যুক্তরাষ্ট্রে সংক্রমিত হয়েছেন ২৮ হাজার ৯৮৯ জন এবং মারা গেছেন ৪৯৭ জন। থাইল্যান্ডে সংক্রমিত হয়েছেন ২২ হাজার ৩৮৭ জন এবং মারা গেছেন ১০৫ জন। রাশিয়ায় আক্রান্ত হয়েছেন ১০ হাজার ৯১০ জন এবং মারা গেছেন ২৮১ জন।
এছাড়া করোনায় আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় হংকংয়ে ৫৯ জন, ইরানে ২৮ জন, ডেনমার্কে ১১ জন, গ্রিসে ৬৯ জন এবং থাইল্যান্ডে ১০১ জন মারা গেছেন। অন্যদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় মেক্সিকোতে মারা গেছেন ২ জন। মহামারির শুরু থেকে এ পর্যন্ত উত্তর আমেরিকার এই দেশটিতে মৃত্যু হয়েছে ৩ লাখ ২৩ হাজার ৭২৭ জনের।
উল্লেখ্য, ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে চীনের উহানে প্রথম করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়। এরপর ২০২০ সালের ১১ মার্চ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) করোনাকে ‘বৈশ্বিক মহামারি’ হিসেবে ঘোষণা করে। এর আগে একই বছরের ২০ জানুয়ারি বিশ্বজুড়ে জরুরি পরিস্থিতি ঘোষণা করে সংস্থাটি।