৩ এপ্রিল ২০২২


দুই বছর পর জমজমাট বাহারী ইফতার বাজার

শেয়ার করুন

ডেস্ক রিপোর্ট : অতিমারি করোনার কারণে গত দুই বছর রমজানে ইফতারের তেমন হাঁকডাক ছিলো না। তবে দুই বছর পর বিধিনিষেধবিহীন রমজানের প্রথম দিনেই সিলেটে নানা পদের ইফতারির পসরা সাজিয়ে বসেন বিক্রেতারা। চারদিকে ক্রেতা-বিক্রেতাদের হুল্লোড় আর হাঁকডাকে মুখর হয়ে উঠে চারপাশ।

রোজার প্রথম দিনে নগরের প্রতিটি এলাকায় ইফতারের দোকান দেখা গেছে। রোজাদারদের ভিড়ও ছিলো লক্ষণীয়। মধ্য ও নিম্ন আয়ের লোকজনকেও লাইন ধরে ইফতার সামগ্রী কিনতে দেখা গেছে।

নগরীর পালকি রেস্টুরেন্টের পরিচালক কবির আহমদ জানান, ইফতারে পালকির বিশেষ আইটেমের মধ্যে রয়েছে, বড় বাপের পেলায় খায়, মাটন লেগ রোস্ট, আস্ত মুরগির রোস্ট, মাসালা চিকেন, মাটন ভুনা, বিফ ভুনা, চিকেন ফ্রাই, দই বুন্দিয়া, বিফ আখনি, চিকেন আখনি, বোম্বাই জিলাপি, মুম্বাই চিকেন সমুচা, চিকেন টিক্কা কাবাব, জালি কাবাব, ডিম চপ, চিকেন ড্রামস্টিক, মাটন কাটি কাবাব, বেগুনি, পেঁয়াজু ও শাকভরা, শাহী জিলাপি ইত্যাদি । এখানে প্রতিদিন ৫০টির মতো ইফতারি আইটেম তৈরি হবে বলে জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, প্রথম ৪-৫ রমজান পর্যন্ত মানুষ বাসা-বাড়িতে ইফতার করেন। তাই এ সময় বিক্রি কিছুটা কম হয়ে থাকে। এরপরও আজ বিক্রি ভালো হয়েছে। ১০ রমজান পর থেকে চাহিদা বাড়বে।

নগরের জিন্দাবাজার, চৌহাট্টা, বন্দর বাজার, মেডিকেল রোড ও আম্বরখানা এলাকা ঘুরে দেখা যায়, বিভিন্ন ধরনের খাবার দিয়ে সাজানো ইফতারির স্টল। তবে উন্নতমানের দোকানের চেয়ে মধ্যম মানের দোকানে ভিড় বেশি।

বিভিন্ন ধরনের কাবাবের পাশাপাশি হালিম, ফালুদা, লাচ্ছি সরবত, আখনী, খিচুরি, পেঁয়াজু, ছোলা, বেগুনি, আলুর চপের পাশাপাশি রয়েছে নানা পদের আইটেম। খাবার ভেদে একেক দোকানের একেক আইটেমের চাহিদা রয়েছে বলে জানান বিক্রেতারা।

পানসী রেস্টুরেন্টে ইফতার সামগ্রী কিনতে আসা ইব্রাহিম মাহফুজ জানান, মানসম্মত পরিবেশে ইফতার সামগ্রী কিনতে আগ্রহী রোজাদাররা। তাই স্বাস্থ্য সম্মত পরিবেশে তৈরি ইফতার সামগ্রীর প্রতি ক্রেতাদের ঝোঁক বেশি।

ইফতার কিনতে আসা বোরহান উদ্দিন বলেন, গত দুই বছর করোনা পরিস্থিতির কারণে দোকানে ইফতারের পসরা বসেনি। দুই বছর পর হলেও রোজায় বিধিনিষেধবিহীন ইফতার কিনতে পারায় খুশি। তবে সবকিছুর দাম একটু বেশি।

রেস্টুরেন্ট ব্যভসায়ী শাহরিয়ার আলম জানান, বিশেষ আইটেমের মধ্যে রয়েছে চিকেন আখনী, বিফ আখনী, বিফ হালিম, চিকেন হালিম।

শেয়ার করুন