৮ মার্চ ২০২২


‘ঝুঁকি’ নিয়ে শিক্ষার্থীদের সড়ক পারাপার

শেয়ার করুন

কোম্পানীগঞ্জ প্রতিনিধি : কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার সদর সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়, থানা সদর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও রাহমানিয়া হাফিজিয়া মাদ্রাসা ভোলাগঞ্জ-সিলেট মহাসড়কের পশ্চিম পাশে মনোরম পরিবেশে অবস্থিত। এই তিনটি বিদ্যালয়ে প্রায় ১ হাজার ৫০০ শিক্ষার্থী লেখাপড়া করেন। কোমলমতি শিক্ষার্থীদের প্রতিদিন বিদ্যালয়ে আসতে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সড়ক পারাপার হতে হয়। তাছাড়া বিদ্যালয়গুলোর পাশে রয়েছে কোম্পানীগঞ্জ পল্লীবিদ্যুৎ অফিস। প্রতিদিন বিভিন্ন কাজে এই রাস্তা দিয়ে পল্লিবিদ্যুৎ অফিসে থাকে গ্রাহকদের যাতায়াত।

বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রী ও অভিভাবকরা ভোলাগঞ্জ-সিলেট মহাসড়কটি নিরাপদে শিক্ষার্থীদের পারাপারের জন্য বিদ্যালয়ের সামনে একটি স্পীড বেকার বা ফুটওভারব্রিজ নির্মাণের দাবি করে আসছেন। এ সড়ক দিয়ে ভোলাগঞ্জ-সিলেট-ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানের যানবাহন চলাচল করে। ভোলাগঞ্জ সাদা পাথর অন্যতম পর্যটন কেন্দ্র হওয়ায় রাস্তাটি আরও ব্যস্ততম সড়কে পরিণত হয়েছে। পারাপারের সময় সাধারণ মানুষ ও ছাত্র-ছাত্রীরা দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছেন।

শিক্ষার্থীরা স্পীড বেকার বা একটা ফুটওভারব্রিজ দাবি করে জানায়, জীবনের ঝুঁকি নিয়ে প্রতিদিন সড়কটি পার হতে হয়। একটি স্পীড বেকার বা ফুটওভারব্রিজ নির্মাণ হলে আমাদের সমস্যা থাকবে না, এটি আমাদের প্রাণের দাবি।

এক শিক্ষার্থীর অভিভাবক হাবিবুর রহমান জানান, মাদ্রাসা ছুটি হলে প্রতিদিন কাজ রেখে সাথে নিয়ে ছেলেকে রাস্তা পার করে দিয়ে আসি ও নিয়ে আসি। একটা ফুটওভার ব্রীজ হলে ছাত্র-ছাত্রীদের রাস্তা পারাপারে অনেক সুবিধা হত।

থানা সদর সরকারি মডেল উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শংকর চন্দ্র দাস বলেন, একটি স্পীড বেকার বা ফুটওভারব্রিজ নির্মাণের আলোচনা হয়েছে, কিন্তু বাস্তবায়ন হয়নি। কোমলমতি শিক্ষার্থীদের সড়ক পারাপার নিয়ে সর্বদা দুশ্চিন্তায় থাকি। একটি ফুটওভারব্রিজ নির্মাণের জন্য সংশ্লিষ্টদের কাছে আমাদের প্রাণের দাবি।

কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা লুসিকান্ত হাজং জানান, সড়ক ও জনপদ অধিদপ্তরের সাথে কথা বলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

শেয়ার করুন