৫ মার্চ ২০২২


সিলেটে ‘লাগামহীন’ নিত্যপণ্যের পাগলা ঘোড়া

শেয়ার করুন

ডেস্ক রিপোর্ট : নগরীর নিত্যপণ্যের দামে নাভিশ্বাস আর অস্বস্তি বিরাজ করছে ভোক্তাদের। প্রতিনিয়ত পরিবারের জন্য খরচ করতে গেলে দাম বৃদ্ধির খবরে মাথা ঘুরে যাওয়ার উপক্রম হয় অনেকেরই। তবে সোয়াবিন তেলের বাজার বেশ চড়া। বিষয়টি হাইকোর্টের নজরে এনেছেন তিন আইনজীবী। আদালত যথাযথ প্রক্রিয়ায় তাদের রোববার রিট করার পরামর্শ দিয়েছেন। গত বৃহস্পতিবার বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি এসএম মনিরুজ্জামানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ পরামর্শ দেন।

নগরীর শিবগঞ্জবাজার (কিচেন মার্কেট), মিরাবাজার, বন্দরবাজার ঘুরে দেখা যায়, ৪০ টাকার পিয়াজ এখন ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। প্রতিকেজি চিনি এখন ৮০ টাকা, বড় দানার মসুর ডাল ১০০ টাকা, বাজারে প্রতিকেজি ৭৫ টাকার ছোলা এখন বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকা, প্যাকেটজাত আটা ৪৬ ও প্যাকেটজাত ময়দা ৫৫ টাকা, দেশি রসুন ৫০, আমদানি রসুন ১০০, দেশি আদা ৬০ টাকা, প্রতিকেজি শিম ও বেগুন দাম বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৬০ টাকা, ফুলকপি-বাঁধাকপি-শসা ৩০ থেকে ৪০ টাকা, মরিচ ৩০ থেকে ৪০, চাল কুমড়া ৪০ থেকে ৫০ টাকা, মুলা ২০ এবং গাজর-টমেটো ৪০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। প্রতিকেজি ব্রয়লার মুরগি ১৬৫ টাকা, কক প্রতি পিছ ২৭০ ও লেয়ার মুরগি প্রতি পিছ ৪৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। গরুর মাংস প্রতি কেজি ৫৮০ থেকে ৬৫০ টাকা।
সোয়াবিন প্রতি লিটার ১৬০টাকা, পাম ওয়েল প্রতি লিটার ১৪৮, ৫ লিটার তেল ৭৯৫ এর উপরে বিক্রি হচ্ছে।

শিবগঞ্জবাজারের পাইকারী ব্যবসায়ী নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, কেউ কেউ বলছেন সোয়াবিন তেলের বাজারে কৃত্রিম সঙ্কট দেখা দিয়েছে, কথাটি আদৌ সত্য নয়। আমি মনে করি এই সঙ্কটের জন্য অনেকাংশে ক্রেতারাই দায়ী। কারণ প্রয়োজনের অতিরিক্ত ভোজ্য তেল কিনে বাসা-বাড়িতে অনেকে রিজার্ভ রেখে দেন।

তিনি বলেন, বাজারের দাম মনিটরিং এর জন্য ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনার বিকল্প নেই।

সিলেটের জেলা প্রশাসক মোঃ মজিবর রহমান বলেন, খুব শিগগিরই বাজার মনিটরিং শুরু করবো আমরা।

শেয়ার করুন