৫ ফেব্রুয়ারি ২০২২
ডেস্ক রিপোর্ট : চলমান ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের ৬ষ্ঠ ধাপে গত ৩১ জানুয়ারি সিলেটের দক্ষিণ সুরমা উপজেলার কামালবাজার ইউনিয়নে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সেদিন ভোটগ্রহণ শেষে সন্ধ্যায় কামালবাজার ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডে দুই মেম্বার প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটে। এসময় মারুফ আহমদ নামের গুরুতর আহত হন। মারাত্মক আহত হওয়া এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। তিনি উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় চিকিৎসাধীন ছিলেন।
শনিবার দুপুরে রাজধানীর একটি বেসরকারী হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।
জানা যায়, গত ৩১ জানুয়ারি কামালবাজার ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়। নির্বাচনে ৬ নম্বর ওয়ার্ডে সদস্য পদে মো. ছোয়াব আলী ফুটবল প্রতীকে নির্বাচন করে ১১২ ভোট পান। তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী আমির আলী তালা প্রতীকে সমান সংখ্যক ভোট পান।
সন্ধ্যার দিকে দু প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে আমির আলী পক্ষ মো. ছোয়াব আলীর সমর্থকদের উপর হামলা করে। এসময় দুপক্ষের সংঘর্ষ হয় এবং আমির আলীর সমর্থকদের মারধরে ছোয়াব আলীর ছেলে মারুফ আহমদসহ ৫/৬ জন আহত হন। এর মধ্যে গুরুতর আহত মারুফ আহমদকে প্রথমে সিলেটের একটি হাসপাতালে নিয়ে গেলে তাঁর শারীরিক অবস্থা বেশি খারাপ হওয়ায় তাকে ঢাকায় প্রেরণ করা হয়।
ঢাকার একটি প্রাইভেট হাসপাতালে ৪দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর আজ মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন মারুফ।
দক্ষিণ সুরমা থানার ওসি কামরুল হাসান তালুকদার মারুফের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
নিহত মারুফ আহমদের চাচা মোহাম্মদ নওয়াব আলী জানান, তাদের সাথে হামলাকারীদের পূর্বের বিরোধ রয়েছে। হামলাকারীরা পূর্বে দিনে-দুপুরে তাদের বাড়ির সীমানা পিলার তুলে নেয়। তাছাড়া, তারা কবরস্থানের জায়গার মাঠ জরিপের কাগজ থেকে মোঃ ছোয়াব আলী তার চাচার পরিবারের নাম কেটে দেয়। এছাড়াও মোঃ ছোয়াব আলীদের মৌরশি জায়গা তাদের নামে করে নেয়।
তিনি জানান, হামলাকারী সুফি আহমদ ছাত্রলীগ ও স্থানীয় সংসদ সদস্যের ভাগনে পরিচয় দিয়ে এলাকায় প্রভাব খাটিয়ে বিভিন্ন অনৈতিক কাজ করে বেড়ায়।