২৬ জানুয়ারি ২০২২
লাখাই (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি : হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলার মৌবাড়ি মাঠে সরিষা ক্ষেতে এবার ৫০টি মৌবক্স স্থাপন করেছেন ছুরত আলী। সেখান থেকে মধু আহরণ হবে ১০ সপ্তাহ। প্রতি সপ্তাহে আহরণ হয় ১২০ কেজি ও প্রতি কেজি মধুর মূল্য ৬০০ টাকা। সে হিসাবে ১ হাজার ২০০ কেজি মধু বিক্রি করে তার আয় হবে ৭ লাখ ২০ হাজার টাকা।
ছুরত আলী ২০১৯ ও ২০২০ সালে দুই বছরে তার সরিষা ক্ষেত থেকে আহরণ করেছিলেন দুই হাজার কেজি মধু। এর আগে ২০১৭ সালে হাফেজ নিয়ামত উল্লা নামে আরেকজন আহরণ করেন ১ হাজার কেজি।
পুরো উপজেলায় সরিষা চাষ হলেও সেগুলোতে মৌবক্স স্থাপন করা হয়নি। সব জমিতে বক্স স্থাপন করতে পারলে বছরে কয়েকশ’ মেট্রিক টন মধু আহরণের সম্ভাবনা দেখছে কৃষি বিভাগ।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এ বছর উপজেলার ৬টি ইউনিয়নে ২০২০ হেক্টর জমিতে সরিষা চাষ হয়েছে। সঠিক পরিকল্পনা ও কৃষকদের প্রশিক্ষণের উদ্যোগ নেওয়া হলে এ সব জমি থেকে কয়েকশ’ মেট্রিক টন মধু আহরণ করা যেত। সেই সঙ্গে বৃদ্ধি পেত সরিষার চাষও। কিন্তু জমিগুলোতে বক্স স্থাপন না করায় সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও আহরণ হচ্ছে না মধু।
স্থানীয়রা জানান, সরিষা ক্ষেতে কীটনাশক প্রয়োগের ফলে মধু মক্ষিকা মারা যায়। এ বিষয়ে কৃষকদের ধারণা থাকলে মক্ষিকা মারা যেত না। লাখাইয়ের যে যে ইউনিয়নে সরিষা চাষ বেশি হয় সে সব ইউনিয়নের আগ্রহী কৃষকদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হলে উৎপাদন বাড়ানো যেত।
তবে শিগগিরই এ বিষয়ে সচেতনতামূলক প্রচারণা ও প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হবে বলে জানিয়েছে উপজেলা কৃষি বিভাগ।