১ জানুয়ারি ২০২২


কোহলি মিথ্যাবাদী?

শেয়ার করুন

ক্রীড়া ডেস্ক : ওয়ানডে নেতৃত্ব থেকে বিরাট কোহলিকে সরানো নিয়ে ভারতের ক্রিকেটে যে তুলকালাম শুরু হয়েছিল, তা এখনো থামেনি। মুখোমুখি অবস্থান নিয়েছিলেন বিরাট কোহলি আর বিসিসিআই সভাপতি সৌরভ গাঙ্গুলি।

সৌরভ বলেছিলেন, কোহলির সঙ্গে আলোচনা করেই তাঁকে সরানো হয়েছে এবং তাঁকে টি-টোয়েন্টির অধিনায়কত্ব না ছাড়তেও অনুরোধ করেছিল বোর্ড। কিন্তু বিষয় দুটি প্রকাশ্যে অস্বীকার করেন কোহলি। তাই দেশটির ক্রিকেটাঙ্গনে জল্পনার তৈরি হয়, কে সত্যি বলছে তা নিয়ে।

দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে ওয়ানডে সিরিজের দল ঘোষণার সময় সেই বিতর্কও নতুন করে উসকে দিলেন প্রধান নির্বাচক চেতন শর্মা। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘সেপ্টেম্বরে যখন আমাদের মধ্যে সভা শুরু হয়, তখন সবাই অবাক হয়ে গিয়েছিলাম কোহলির সিদ্ধান্তে। তখন সভায় উপস্থিত সবাই তাকে সিদ্ধান্ত ভেবে দেখার জন্য অনুরোধ করে। সেই সময় আমাদের মনে হয়েছিল, কোহলির এমন সিদ্ধান্ত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের পারফরম্যান্সে প্রভাব ফেলতে পারে। তাকে অনুরোধ করে সবাই বলে, ভারতীয় ক্রিকেটের স্বার্থে সে যেন অধিনায়কত্ব চালিয়ে যায়। তবে সে তার সিদ্ধান্তে অনড় থাকে এবং আমরাও তার সিদ্ধান্তের প্রতি সম্মান জানাই।’

এরপর চেতন শর্মাকে প্রশ্ন করা হয়, সেই সময় কি কোহলিকে জানানো হয় যে টি-টোয়েন্টির নেতৃত্ব ছাড়লে ওয়ানডের নেতৃত্বও ছাড়তে হবে? জবাবে চেতন শর্মা বলে যান, ‘সাদা বলের ক্রিকেটে যে বোর্ড একজনকেই অধিনায়ক দেখতে চায়, সেটা বলার জন্য টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের নির্বাচনী সভা সঠিক জায়গা নয়। আমরা বিশ্বকাপে প্রতিনিধিত্ব করতে যাচ্ছি, সেই সময় কোহলিকে জানানোটা সম্ভব নয় যে তুমি টি-টোয়েন্টির নেতৃত্ব ছাড়ছ, ওয়ানডের নেতৃত্বও ছেড়ে দাও। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পরেও সবাই তাকে সেই সিদ্ধান্ত ভেবে দেখার অনুরোধ করেছিল।’

তবে বোর্ডের কর্মকর্তারা নন বরং কোহলিকে ওয়ানডে নেতৃত্ব থেকে সরিয়ে দেয়ার ভাবনা একান্তই নির্বাচকমণ্ডলীর। এমন কথাও জানিয়েছেন চেতন, ‘নির্বাচক কমিটির সবাই যখন সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলে যে সাদা বলের ক্রিকেটে দুই অধিনায়ক নিয়ে চলা সম্ভব নয়। সেই সময় আমিই কোহলিকে ফোন করি। সেটা দক্ষিণ আফ্রিকা সফরের টেস্ট দল বেছে নেয়ার সভা ছিল। বিকেল ৫টার সময় ফোনে তাকে জানানো হয় যে সীমিত ওভারের ক্রিকেটে একজন এবং টেস্টে একজনকে নেতৃত্বের দায়িত্বে রাখা হবে। কোহলি ভালোভাবেই কথা বলেছে। একেবারে নির্বাচনী মিটিংয়ে তাকে না জানিয়ে আগাম জানানোর জন্যই ফোনে তাকে সেই সিদ্ধান্ত বলে দেয়া হয়।’

শেয়ার করুন