২২ ডিসেম্বর ২০২১
ডেস্ক রিপোর্ট : সিলেট বিভাগের চারটি জেলার মিলনস্থল মৌলভীবাজার সদর উপজেলাধীন শেরপুর শহরে উদ্বেগজনকভাবে বেড়েছে চুরির ঘটনা। শেরপুরের জনবহুল আবাসিক ও বাণিজ্যিক এলাকায় একের পর এক চুরি হচ্ছে। এতে শেরপুর ও আশপাশ এলাকাবাসী আতঙ্কে রয়েছেন।
জানা যায়, চলতি মাসে শহরের বিভিন্ন এলাকায় প্রায় অর্ধশতাধিক চুরির ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনায় থানায় একাধিক মামলা হলেও পুলিশ মালামাল উদ্ধার ও প্রকৃত চোরকে চিহ্নিত বা গ্রেপ্তার করতে পেরেছে এমনটা কারো জানা নেই।
এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, শেরপুর বাজার ও আশপাশ এলাকাজুড়ে গত এক মাসে ১০ থেকে ১৫টি চুরির ঘটনা ঘটেছে। এরমধ্যে উল্লেখযোগ্য ঘটনা হচ্ছে শেরপুর আবাসিক এলাকায় বাসার সামনে থেকে পালসার মোটরসাইকেল চুরি ও অদূরবর্তী ব্রাহ্মণগ্রামে একটি ধর্মীয় মন্দিরে চুরি।
এমনকি শেরপুর বাজার এলাকায় বিভিন্ন দোকানেও চুরির ঘটনা ঘটেছে। উল্লেখযোগ্য চুরির ঘটনা ঘটেছে আফরোজগঞ্জ বাজারস্থ মিহির ফার্মেসিতে। শেরপুরে বিগত বছরের শুরু থেকে এপর্যন্ত এসব ঘটনায় নগদ অর্থ ও স্বর্ণালংকারসহ প্রায় ৫০ লাখ টাকার মালামাল চুরি হয়েছে ধারণা সচেতন মহলের।
শেরপুর বাজারের বেশ কয়েকজন ভুক্তভোগী বলেন, মনে হয় চোরেরা পুলিশকে চ্যালেঞ্জ করেছে। গত এক দশকে এক মাসে এত বেশি চুরির ঘটনা ঘটেনি। আমরা শেরপুরবাসী ও ব্যবসায়ীরা আতঙ্কে আছি। ব্যাপকহারে বেড়েছে চুরি। কোনোভাবেই থামানো যাচ্ছে না চোরদের এই উপদ্রব। অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে, চোরেরা চুরির জন্য নিরাপদ স্থান হিসেবেই বেছে নিয়েছে শেরপুর এলাকাকে।
অহরহ ঘটছে মন্দির, বাসাবাড়ি থেকে শুরু করে দোকানের মালামাল, অটোরিকশার ব্যাটারি, মোটরসাইকেল ও স্বর্ণালঙ্কার চুরির ঘটনা। অপরদিকে অনেকের নিকট আবার সংশ্লিষ্ট এলাকার থানা পুলিশের ভূমিকা নিয়ে দেখা দিয়েছে নানা প্রশ্ন?
অহরহ চুরির ঘটনায় দিশেহারা হয়ে পড়েছেন অনেকে। এই সংঘবদ্ধ চোরচক্রের কাছ থেকে রক্ষা পেতে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন সচেতন মহল।
তবে বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় পুলিশের কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি।