১৪ ডিসেম্বর ২০২১
ডেস্ক রিপোর্ট : একাত্তরে পাক হানাদার বাহিনীর পরাজয় যখন নিশ্চিত, ঠিক তখনই নতুন ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয় পাক হানাদার বাহিনী। তারা বাঙালি জাতিকে মেধাশূন্য করতে একে একে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের ধরে নিয়ে হত্যা করে। শহীদ বুদ্ধিজীবীদের হত্যার পর ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ ও তার মিত্র বাহিনী কাছে অসহায় আত্মসমর্পণ করে পাকিস্তানি হানাদাররা।
মঙ্গলবার দেশের শ্রেষ্ঠ সন্তান বুদ্ধিজীবী হত্যার দিন। এদিনে প্রতিবছরের মত এবারও জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের ভুলেনি এদেশের মানুষ। তাদের আত্মত্যাগের মর্যাদা দিতে ফুল দিয়ে শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে যান শ্রদ্ধা নিবেদন করতে।
এদিন সকালে সিলেট সিটি করপোরেশনের (সিসিক) মেয়র, বিভাগীয় কমিশনার, ডিআইজি, মহানগর বিএনপি, সিলেট মহানগর পুলিশ কমিশনার, সিলেট জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, সিলেট জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগ, সিলেট জেলা ও জেলা পুলিশ সুপার, বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ জেলা ও মহানগর ইউনিটসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংগঠন শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করেছেন। শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে সিলেটের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছাত্র-শিক্ষকরাও ফুলেল শ্রদ্ধা নিবেদন করেন বুদ্ধিজীবী স্মৃতিফলকে। শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটি, লিডিং ইউনিভার্সিটি, নর্থ ইস্ট ইউনিভার্সিটি, এমসি কলেজ, সরকারি কলেজ, সরকারি মহিলা কলেজে দিবসটি উপলক্ষে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ, কালো ব্যাজ ধারণ ছাড়াও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে।