৮ ডিসেম্বর ২০২১
চুনারুঘাট (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি : হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার বিভিন্ন অঞ্চলের প্রায় সব বসতভিটাতেই দুই-তিনটি করে খেজুরগাছ দেখা যেত। কালের বিবর্তনে এসব অঞ্চল থেকে খেজুরগাছ হারিয়ে যাচ্ছে। আগের মতো সকাল-বিকাল খেজুর রসে শীত পিঠার উৎসব তেমন আর হয় না। গাছিরাও আগের মতো সংগ্রহ করেন না খেজুর রস।
এলাকার প্রবীণরা জানান, ৩০/৩৫ বছর পূর্বে এসব অঞ্চলে অসংখ্য খেজুরগাছ ছিল। গাছিরা যখন সকালে খেজুর রস সংগ্রহ করে সিদ্ধ করতে নিয়ে আসত; তখন এলাকার লোকজন রসের জন্য কলসি নিয়ে ভিড় জমাত। জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করার কারণে খেজুরগাছ নিধন হয়ে যাচ্ছে। এছাড়াও বাণিজ্যিকভাবে এলাকায় খেজুরগাছ রোপণ করা হয় না।
এলাকায় কিছু গ্রামাঞ্চলে রাস্তার আশপাশে খেজুরগাছ দেখা গেলেও রস আহরণে গাছি নেই। আগের মতো রস আর কেউ সংগ্রহ করে না। যে কারণে খেজুর রস এলাকায় পাওয়া যায় না। একটি পূর্ণবয়স্ক খেজুরগাছ দৈনিক তিন-পাঁচ কেজি পরিমাণ রস দেয়। এ রসে আমিষ, শ্বেতসার, চর্বি, খনিজ লবণসহ অনেক পুষ্টিকর উপাদান আছে। যা মানবদেহের জন্য অত্যন্ত উপকারী।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ মাহিদুল ইসলাম বলেন, খেজুরগাছ বহুবর্ষজীবী গাছ হওয়ার কারণে মানুষের আগ্রহ কমে গেছে। তবে কৃষি বিভাগের একটা প্রকল্প আছে। এই প্রকল্পের আওতায় চুনারুঘাটে কিছু খেজুরগাছ পাঠাবে। এলাকায় খেজুরগাছ লাগানোর জন্য মানুষকে উদ্বুদ্ধ করা হবে বলে তিনি জানান।