২৭ নভেম্বর ২০২১


ফেঞ্চুগঞ্জে স্থাপন হচ্ছে নতুন বিদ্যুৎ কেন্দ্র

শেয়ার করুন

ফেঞ্চুুগঞ্জ প্রতিনিধি : ফেঞ্চুগঞ্জে বেসরকারী উদ্যোগে আরেকটি বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র নির্মিত হচ্ছে। আমেরিকান লিবার্টি পাওয়ার বিডি লিমিটেড নামে একটি প্রতিষ্ঠান প্রায় ৪শ’ কোটি টাকা ব্যয়ে এ বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন করছে। ইতিমধ্যে এ নিয়ে জালালাবাদ গ্যাসের সাথে নির্মাণাধীন প্রতিষ্ঠানের চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। আগামী বছরে নতুন এ বিদ্যুৎ কেন্দ্র উৎপাদনে যাওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন কোম্পানীর চেয়ারম্যান এনামুল হক।

এদিকে, ফেঞ্চুগঞ্জে দু’টি সরকারী ও ৩টি বেসরকারী বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র থেকে এ পর্যন্ত ৪৫৪ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রীডে যুক্ত হচ্ছে। ১৯৯৩-৯৪ সালে সরকারীভাবে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড পিডিবির উদ্যোগে কুশিয়ারা নদীর তীরবর্তী এলাকা গাড়ুলীকোনায় ২৫ একর ভূমির উপর গ্যাস ভিত্তিক ৯০ মেগাওয়াট কম্বাইন্ড সাইকেল বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন করে।

২০০৬ সালে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড একই স্থানে ১০৫ মেগাওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন আরেকটি বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন করে। এ দু’টি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের পার্শ্ববর্তী এলাকায় ৬ একর ভ‚মির উপর ২০১০ সালে দেশের প্রথম বেসরকারী উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত ৫১ মেগাওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন ভাড়া ভিত্তিক মেসার্স আল বারাকা বিদ্যুৎ কেন্দ্র চালু হয়। ২০১১ সালে ঐ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের পাশে ৫০ মেগাওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন ভাড়া ভিত্তিক দ্বিতীয় কেন্দ্রটি স্থাপন করে মেসার্স হোসাফ গ্রæপ। এ কেন্দ্র থেকে ৪৮ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রীডে যুক্ত হচ্ছে।

ফেঞ্চুগঞ্জে সর্বশেষ বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি স্থাপিত হয় ২০১২ সালে কুশিয়ারা নদীর তীরবর্তী মইনপুর এলাকায়। প্রয়াত সংসদ সদস্য মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরীর নিজস্ব উদ্যোগে ৬ একর ভূমির উপর ১ হাজার ৪শ’ কোটি টাকা ব্যয় সাপেক্ষে ১৭০ মেগাওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি স্থাপন করা হয়। এখান থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদিত হয়ে পুরোটাই জাতীয় গ্রীডে যুক্ত হচ্ছে।

বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আবুল কালাম আজাদ জানান, ফেঞ্চুগঞ্জ বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র সমূহে লোড সেন্টার সিলেট নগরীর নিকটবর্তী হওয়ায় লভোল্টের সমস্যা নিরসনসহ মানসম্মত বিদ্যুৎ সরবরাহ করা সম্ভব হচ্ছে।

শেয়ার করুন