৪ নভেম্বর ২০২১


এবার দুঃখ ঘুচবে ছত্তিশ ও বাঘমারা গ্রামবাসীর

শেয়ার করুন

ফেঞ্চুগঞ্জ প্রতিনিধি : ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার সদর ইউনিয়নের বাঘমারা ও ছত্তিশ গ্রামের হাজারো মানুষকে বর্ষা মৌসুমে নৌকাযোগে ফেঞ্চুগঞ্জ বাজারে যাতায়াত করতে হয়। ফেঞ্চুগঞ্জ বাজারের সঙ্গে সহজতর যোগাযোগের লক্ষ্যে বাঘমারা গ্রামের প্রধান সড়ক থেকে ছত্তিশ গ্রাম পর্যন্ত ও ছত্তিশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সম্মুখ থেকে ফেঞ্চুগঞ্জ পূর্ব বাজার পর্যন্ত সড়কের মাটি ভরাট, গার্ডওয়াল নির্মাণ, ব্লক বসানো ও যানবাহন চলাচলের জন্য সড়ক প্রশস্তকরণ কাজ করা হবে।

সিলেট-৩ আসনের সংসদ সদস্য হাবিবুর রহমান হাবিবের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

জানা যায়, বাঘমারা ও ছত্তিশ গ্রামের প্রায় ৫ হাজার মানুষের বর্ষা মৌসুমে একমাত্র ভরসা নৌকা। বর্ষাকালে ফেঞ্চুগঞ্জ বাজারে নৌকা যোগে এলাকাবাসী যাতায়াত করেন। স্কুল-কলেজে শিক্ষার্থীরাও নৌকায় যাতায়াত করে থাকে। শুষ্ক মৌসুমে সড়ক দিয়ে হেঁটে চলাচল করেন লোকজন। এতে করে ভোগান্তি পোহাতে দুই গ্রামের মানুষকে।

ইতিমধ্যে উপজেলা প্রকৌশলী সুশদর্শন সরকার, উপ-সহকারী প্রকৌশলী ইকবাল হোসেন, সার্ভেয়ার শাওন চন্দ্র বশাক, উপজেলা পরিষদের সাবেক অস্থায়ী চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান শহিদুর রহমান রুমান, উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি আশফাকুল ইসলাম সাব্বির ও ফেঞ্চুগঞ্জ সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কাজী মো. বদরুদ্দোজা বাঘমারা ও ছত্তিশ গ্রামের সড়ক পরিদর্শন করেছেন।

স্থানীয় বাসিন্দা সমাজকর্মী সাহিল আহমদ বলেন, এই সড়ক দিয়ে শুষ্ক মৌসুমে পায়ে হেঁটে ও বর্ষা মৌসুমে নৌকা যোগে আমরা দুই গ্রামের মানুষ ফেঞ্চুগঞ্জ বাজারে যাতায়াত করে থাকি। বহু প্রতিক্ষিত এই সড়কটির উন্নয়নে নির্বাচনীকালীন প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী সংসদ সদস্য হাবিবুর রহমান হাবিবের উদ্যোগে সড়ক প্রশস্তকরণ, মাটি ভরাট, গার্ডওয়াল নির্মাণ ও বাঘমারা গ্রামের প্রধান সড়কের দুই পাশে ব্লক বসানো হলে আমাদের এলাকার মানুষের দুর্ভোগ লাঘব হবে।

উপজেলা প্রকৌশলী সুশদর্শন সরকার বলেন, বাঘমারা গ্রামের প্রধান সড়কে যে দুটি সেতু রয়েছে, সেগুলো বর্ষা মৌসুমে পানির নিচে তলিয়ে যায়। সেজন্য দুটি সেতু ভেঙে আবারো নির্মাণ করতে হবে। যাতে বর্ষা মৌসুমে পানির নিচে সেতুগুলো তলিয়ে না যায়। বাঘমারা ও ছত্তিশ সড়কটি গার্ডওয়াল নির্মাণ ও ব্লক বসানো হবে।

শেয়ার করুন