২ নভেম্বর ২০২১
আজকের সিলেট ডেস্ক : পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) অনুমোদন পেলেই এসক্রো সার্ভিসে জমা থাকা ২১৪ কোটি টাকা ফেরত পাবেন ই-কমার্স গ্রাহকরা। তবে সার্ভিস চার্জ বাবদ গ্রাহকদের টাকা থেকে ১ শতাংশ হারে টাকা কেটে রাখা হতে পারে। কারণ এই টাকা অনলাইনে দেয়া হয়েছে, তাই অনলাইনেই ফেরত পাবেন গ্রাহকেরা।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ও কমিটির সমন্বয়ক এ এইচ এম সফিকুজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, এসক্রো চালু হওয়ার আগের গ্রাহকদের প্রায় ২৬০ কোটি টাকা জমা আছে। এ বিষয়ে আমরা অভিযুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে কথা বলেছি। বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইনটেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) থেকে তথ্য পাওয়ার পর এ টাকা ফেরত দেয়ার বিষয়ে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
তিনি আরো বলেন, কমিটির কাছে তিনটি গোয়েন্দা সংস্থা অভিযুক্ত কিছু ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের তালিকা দিয়েছে। এর মধ্যে এক সংস্থা ১৯টি, আরেক সংস্থা ১৭টি ও অপর সংস্থা ১৩টির প্রতিষ্ঠানের তালিকা দিয়েছে। বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে, এগুলো সমন্বয় করে বিএফআইউর কাছে পাঠানো হবে। তারা তালিকা ধরে ব্যাংক হিসাবের খোঁজ নেবে। আশা করছি, আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে এসব প্রতিষ্ঠানের লেনদেনের হিসাব পাওয়া যাবে।
সফিকুজ্জামান বলেন, ই-কমার্স পরিচালনা করতে নিবন্ধন লাগবে। ব্যবসা যাতে মুখ থুবড়ে না পড়ে যায়, সে কারণেই এটা সহজ করা হবে।
ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানগুলোকে তদারকি ও পরিবীক্ষণের আওতায় আনা এবং সাম্প্রতিক ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের অনৈতিক ব্যবসার কারণে যেসব ভোক্তা প্রতারিত হয়েছেন, তাদের অধিকার সুরক্ষার বিষয়ে চলতি মাসেই এ কমিটি গঠিত হয়।
জানা গেছে, ক্রয় আদেশ দিয়ে অনলাইন পদ্ধতিতে টাকা দেয়ার পর পণ্য বুঝে পাওয়ার আগ পর্যন্ত তৃতীয় পক্ষের কাছে যে অর্থ জমা থাকে, সেটাই এসক্রো সার্ভিস। চলতি বছরের ৩০ জুন থেকে তা চালু হয়। ৩০ জুনের পর যে ২১৪ কোটি টাকা আটকে আছে, তা দ্রুত ফেরত দেয়ার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। এজন্য ইতিমধ্যে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগে চিঠি দেয়া হয়েছে। টাকা জব্দ করা আছে। এটা ছুটে গেলেই (ডি-ফ্রিজ) ভোক্তাদের ফেরত দেয়া হবে হবে।