২০ নভেম্বর ২০১৭
ডেস্ক রিপোর্ট : নগরীর টিলাগড়ে ছাত্রলীগকর্মী ওমর আলী মিয়াদ হত্যাকান্ডের ঘটনায় আটক সিলেট সিটি কর্পোরেশনের লাইসেন্স শাখার কর্মচারী ফখরুল ইসলাম জামিন পেয়েছেন। সোমবার দুপুরে সিলেট মহানগর আদালতের ভারপ্রাপ্ত দায়রা জজ এ আদেশ দিয়েছেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ফখরুলের আইনজীবী গোলাম ইয়াহইয়া চৌধুরী সুহেল। ফখরুলের জামিনদার হিসেবে রয়েছেন সিলেট সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী। এখন ফখরুলের মুক্তিতে বাধা নেই।
অ্যাডভোকেট গোলাম ইয়াহইয়া চৌধুরী সুহেল বলেন- ‘আমরা আদালতের কাছে জামিন আবেদন করেছি। ঘটনার দিন ফখরুল সিটি কর্পোরেশনে দায়িত্বরত ছিলো। পরে তার ভাই তোফায়েল আহত হয়েছে শুনে মেডিকেল যায়। সেখানে প্রতিপক্ষের লোকজনের রোষানলে পড়তে হয় তাকে। পরে পুলিশ তাকে উদ্ধার করেন। ঘটনার দু’দিন পর দায়েরকৃত মামলায় তাকে আসামী দেখানো হয়েছে। পরে আদালতে ফখরুলের জামিন আবেদন মঞ্জুর করা হয়।’
এর আগে ওমর আহমদ মিয়াদ হত্যাকান্ডের ঘটনায় ১৮ অক্টোবর রাতে মামলা দায়ের করা হয়েছে। সিলেট জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক এম রায়হান চৌধুরীসহ ১০ জন নেতাকর্মীর নাম উল্লেখ করে এই মামলা দায়ের করা হয়েছে । নিহতের পিতা মো. আবুল মিয়া শাহপরাণ থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।
মামলায় সিলেট জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক এম রায়হান চৌধুরীসহ ১০ নেতা-কর্মীর নাম উল্লেখ করা হয়েছে (মামলা নং-০৬)। ওই মামলাতে আসামী করা হয় সিসিকের লাইসেন্স শাখার কর্মচারী ফখরুলকে।
উল্লেখ্য, আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে গত ১৬ অক্টোবর সোমবার বিকেল ৩টার দিকে নগরীর টিলাগড়ে ছাত্রলীগের দু’পক্ষের সংঘর্ষ হয়। এতে ছুরিকাঘাতে ওমর আলী মিয়াদ নিহত হন। আহত হন উভয় গ্রুপের কয়েকজন। এতে আহত অবস্থায় মিয়াদ, তোফায়েলসহ আরো কয়েকজনকে ওসমানী হাসপাতালে নিয়ে যান স্থানীয়রা। সেদিন ভাইয়ের আহত হওয়ার খবর শুনে তাৎক্ষণিক সিটি কর্পোরেশন থেকে হাসপাতালে ছুটে যান ফখরুল। সেখানে তিনি মিয়াদের পক্ষের ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের রোষানলে পড়লে তাকে পুলিশ উদ্ধার করে। পরে তাকে মিয়াদের পিতার মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়।
(আজকের সিলেট/২০ নভেম্বর/ডি/কেআর/ঘ.)