২৩ নভেম্বর ২০১৭


রাস্তার মাঝখানে কলাগাছ!

শেয়ার করুন

অতিথি প্রতিবেদক : সড়কে দূর্ঘটনা এড়াতে অনেক সময় ব্যবহার করা হয় লেখা সম্বিলত খুঁটি। অনেক সময় আবার খুঁটিতে লাল কাপড় বেঁধে লাগিয়ে রাখা হয় ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে। তবে এবার দূর্ঘটনা এড়াতে ও যানবাহনের চালকদের সতর্ক করে দিতে রাস্তার মাঝখানেই রোপন করা হয়েছে কলাগাছ। সিলেট তামাবিল সড়কের পরগনা বাজার সংলগ্ন ব্রীজে পার হওয়ার পর একটু সামনেই রাস্তার মাঝখান ধসে সৃষ্টি হয়েছে ঝুঁকিপূর্ণ গর্ত। ব্রীজ পার হওয়ার পরই কোন কিছু বুঝে উঠার আগেই গাড়ীর চাকা আটকে গিয়ে ঘটতে পারে দূর্ঘটনা। তাই যানবাহন চালকদের সতর্ক করে দিতে স্থানীয়রা রাস্তার মাঝখানে কলাগাছ লাগিয়ে বিপদ সংকতে দিয়েছেন।

সিলেট-তামাবিল সড়ক দিয়ে প্রতিদিন হাজারো যানবাহন যাতায়াত করে। বিশেষ করে পাথরবোঝাই ট্রাক এই রাস্তা দিয়ে চলাচলের সংখ্যা খুব বেশী। গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কটিতে দীর্ঘদিন থেকে যানবাহন চলাচল করায় বিভিন্ন জায়গায় বড় ছোট গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। গর্তের সৃষ্টি হলেও রাস্তা মেরামতের জন্য কোন পদক্ষেপ নেই বলে অভিযোগ করেছেন এলাকাবাসী। রাস্তা খানাখন্দে ভরা। ফলে যেকোন সময় দূর্ঘটনা ঘটতে পারে বলেও আশঙ্কা করছেন এলাকাবাসী।

ওই এলাকার বাসিন্দা রইছ আলী বলেন, গর্তটা অনেক বড়। আমিও দেখেছি। পাকা রাস্তার মাঝখানে কলাগাছ বসানো হয়েছে। জায়গাটা অনেক ঝুঁকিপূর্ণ। দ্রæত পদক্ষেপ নিয়ে রাস্তা ঠিক করা প্রয়োজন। তবে সড়ক ও জনপথ বিভাগকে এই রাস্তার ব্যাপারে জানানো হয়েছে কিন্তু তারা রাস্তা ঠিক করবে বলে এখনো কোন পদক্ষেপ গ্রহন করে নি বলে জানিয়েছেন খাদিম ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম।

তিনি বলেন, চালকদের দৃষ্টি আকর্ষনের জন্য স্থানীয়রা রাস্তার মাঝখানে কলাগাছ লাগিয়েছে। এই ব্যাপারে সওজকে জানানো হয়েছে। তারা ঠিক করবে বলে এখন পর্যন্ত কোন পদক্ষেপ গ্রহন করেনি। দুইদিন আগে কোরডিনেটর মিটিংয়ে এই নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা ছিলো। তবে আলোচনা হয়েছে কি না আমি খেয়াল করিনি।

এ ব্যাপারে সিলেট সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আশফাক আহমদ এর সাথে বারবার মুঠোফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।

সিলেট সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর এর নির্বাহী প্রকৌশলী উৎপল সামান্ত বলেন, আমরা জায়গাটি দেখে এসেছি। এটা অস্থায়ীভাবে কাজ করলে হবে না। স্থায়ীভাবে এটা কাজ করতে হবে। আমাদের সবকিছু রেডি আছে। দুএকের ভিতরে আমরা এটা কাজ করে ঠিক করে দিবো।

(আজকের সিলেট/২৩ নভেম্বর/ডি/এসসি/ঘ.)

শেয়ার করুন