১৯ আগস্ট ২০২১
ডেস্ক রিপোর্ট : সিলেটে লকডাউনে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ীরা প্রায় নিঃস্ব। দীর্ঘদিন পর দোকানপাট খোলার সুযোগ পেয়ে তাঁদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে। কিন্তু ইতিমধ্যে হয়ে যাওয়া ক্ষতি পোষানো নিয়ে সংশয়ে রয়েছেন তাঁরা।
প্রবাসী অধ্যুষিত এই অঞ্চলের ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষ প্রবাসীদের পাঠানো অর্থের ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু বিশ্বব্যাপী করোনার প্রাদুর্ভাবের কারণে প্রবাসীরাও চাহিদা অনুযায়ী টাকা পাঠাতে পারছেন না। এতে ব্যবসায়ীরা আরও বিপাকে পড়েছেন বলে তাঁরা জানিয়েছেন।
সিলেটের কয়েকজন কাপড় ব্যবসায়ীর সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, দফায়-দফায় লকডাউনে দোকান বন্ধ রাখায় তাঁরা বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়েছেন। বিশেষ করে বছরের দুই ঈদ ও পূজাকে ঘিরে ভালো বেচাবিক্রি হতো দোকানগুলোতে। কিন্তু লকডাউনের কারণে এ সময়ে তাঁরা তা থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। অনেক ব্যবসায়ী জমানো টাকা ভেঙে লকডাউনের মধ্যে সংসার চালাতে বাধ্য হয়েছেন। অনেকে দেনার দায়ে জর্জরিত। সবকিছু মিলিয়ে এখানকার ব্যবসায়ীরা আছেন চরম দুর্দিনে।
ব্যবসায়ী রিয়াজ উদ্দিন বলেন, লকডাউনে কাপড় ব্যবসায়ীরা ভালো নেই। অনেকেই দেনার দায়ে জর্জরিত। সামনের দিনগুলোতে ঠিকমতো দোকান খোলা রাখা গেলে এ ক্ষতি কিছুটা পুষিয়ে ওঠা সম্ভব হতে পারে।
টেলিকম ব্যবসায়ী মোস্তাক মিয়া জানান, লকডাউনের কারণে ব্যবসার পরিস্থিতি ভালো না। তবে লকডাউন তুলে নেওয়ায় দোকান খুলতে পেরে খুশি তিনি।
কাপড়সহ অন্যান্য পাঁচটি দোকানের ব্যবসায়ী মো. আবদুস শহিদ বলেন, ‘লকডাউন তুলে নেওয়ায় স্বস্তি পাচ্ছি। করোনার যে পরিস্থিতি, তাতে কখন আবার লকডাউনের কবলে পড়তে হয় এ নিয়ে শঙ্কায় আছি।’