১৮ ডিসেম্বর ২০১৭
নিজামুল হক সাগর, মৌলভীবাজার থেকে : মৌলভীবাজার জেলা সদরের প্রাণ কেন্দ্র চৌমূহনী এলাকা হতে বেজবাড়ী খৃস্টান মিশনারী পর্যন্ত ঢালাই কাজের টেন্ডার হয়ে ঠিকাদার নিয়োগ হয় গত জুন/২০১৭ইং সালে, কিন্তুু অদ্যাবধি পর্যন্ত ঠিকাদার রাস্তার ঢালাই কাজ শুরু না করায় বিভিন্ন পত্রিকায় ঠিকাদারের সমালোচনা করে রিপোর্ট প্রকাশিত হয়। ঐ এলাকায় যানবাহন চলাচল ঝুকিপূর্ণ হওয়ায় এলাকাবাসীর মনে ক্ষোভের সঞ্চার হওয়ায় কিছু সচেতন ব্যক্তি উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিকট অভিযোগ করেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রাখী আহমেদ ঠিকাদার এর লাইসেন্স বাতিলের হুমকি দেন কিন্তুু ঠিকাদারকে নিরাপত্তা দিতে বা ঢালাই কাজ শুরুর বিলম্বের কারন কি তা ভালভাবে খতিয়ে দেখে প্রকৃত রহস্য জেনেও প্রশাসন নিশ্চুপ। ঠিকাদার তারেক উদ্দিন তাজ জানান, ঢালাই কাজ নির্দিষ্ট সময়েই তিনি শুরু করেন কিন্তুু স্থানীয় প্রভাবশালী একজন রাজনৈতিক নেতার আত্মীয় সাবেক ছাত্র নেতা ও বর্তমান যুব নেতা তার নিকট ২ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবী করেন। চাঁদা না দিলে যন্ত্রপাতি ও ইট, বালি, সিমেন্ট যথাস্থানে থাকবেনা বলে হুমকি দেন।
উপায়ান্তর না দেখে অসহায় ঠিকাদার আইনের আশ্রয় নিতে গেলে সেখানেও হেরে যান প্রভাব প্রতিপত্তির কারনে। একদিকে কাজ সময়মত শুরু না করতে পারায় আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হয়ে অন্যদিকে লাইসেন্স বাতিলের ভয়ে তিনি আজ দিশেহারা। এহেন অবস্থার মধ্যে আমরা একটি উন্নয়নশীল দেশের সারিতে নাম লেখানো যুক্তি যুক্ত কি?
২০৪০ সালের মধ্যে উন্নত দেশের তালিকায় নাম লেখানোর স্বপ্ন স্বপ্নই থেকে যাবে। ঠিকাদারের অভিযোগ তাকে আইনী নিরাপত্তা না দিয়ে সমঝোতা করে কাজ করার পরামর্শ যারা দেন তারা কি পরোক্ষ চাঁদাবাজীর সমর্থক নয়?
গভীর অনুসন্ধানে জানা যায় “সুহেল রহমান” নামের একজন নেতা সেই নাটের গুরু যার কারনের ছয়মাস ধরে আটকে আছে সরকারী রাস্তা ঢালাই কাজ। মৌলভীবাজার রাজনগর থানার প্রভাবশালী নেতা ও সম্ভাব্য সংসদ সদস্য পদপ্রার্থীর আত্মীয় হওয়ার কারনে চাঁদা বাজীর কোন বিচার হওয়া বা ঠিকাদারকে নিরাপত্তা বিধান সম্ভব হচ্ছে না। এলাকার জনগনের প্রত্যাশা কথিত নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজীর জন্য ব্যবস্থা নিয়ে সরকারি কাজ তরাম্বিত করে ঠিকাদার কে নিরাপত্তা দেয়া হোক না হয় মৌলভীবাজারের উন্নয়ন সুহেল রহমানদের হাতে জিম্মিই থাকবে।