২৭ মে ২০২১
ডেস্ক রিপোর্ট : তেজপাতাকে রান্না ঘরের অন্যতম একটি মশলা হিসেবে পাওয়া যাবে। ‘জীবনটা তেজপাতা হয়ে গেছে’ -বলে একটা কথা আমরা সাধারণত খুব বেশি ডিপ্রেসড বা খুব নগণ্য করে বলি। তেজপাতাকে সেখানে একটি নগণ্য, গুণহীন এবং অকাজের জিনিস হিসেবেই তুলে ধরি। তবে আপনি তেজপাতার গুণ সম্পর্কে জানলে আপনার ভুল বুঝতে পারবেন। রিফ্রেশিং এবং সুগন্ধযুক্ত মশলা জাতীয় এই রসহীন শুকনা পাতাটি খাবারের স্বাদ বাড়াতে কাজ করে বলে জেনে থাকি। আসলে এই পাতাটির আছে নানাবিদ গুণ। সেগুলো নিয়েই থাকছে আজকের প্রতিবেদন।
ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ
আমরা ডায়েবেটিস নামের রোগটিকে ভয় পেয়ে কত কিছুই না করি। খাবার তালিকা থেকে শুরু করে জীবন ব্যবস্থা সব পরিবর্তন করে ফেলি। কিন্তু জানেন কি, তেজপাতার গুড়ার পানীয় এই রোগটির ঝুকি কমিয়ে দেয়। হ্যাঁ, এক গবেষণায় দেখা গেছে, যারা দিনে দুইবার তেজপাতার গুড়ার পানীয় পান করে তাদের রক্তে শর্করার পরিমাণ কমে যায়। এই পাতাতে আছে উপকারী উপাদান যা কার্যকরী হারে ইনসুলিনকে সাহায্য করতে পারে। এতে টাইপ টু ডায়াবেটিস ডায়াবেটিস হওয়ার ঝুঁকির আশঙ্কা কমে।
হজমে সাহায্য করে
অনিয়মিত জীবনব্যবস্থা আর খাবারের কারণে আমাদের কোষ্ঠকাঠিন্য বা পেট ফাপা রোগটি লেগেই থাকে। তবে তেজপাতা আপনার এই সমস্যা থেকে উদ্ধার পেতে সাহায্য করবে। আয়ুর্বেদ মতে, তেজপাতা প্রস্রাবের মাত্রা ঠিক করে শরীরের টক্সিন সরিয়ে দেয়। এতে হজম প্রক্রিয়া সহজ হয়।
ব্যথা থেকে মুক্তি
তেজপাতাতে প্রদাহজনক বৈশিষ্ট্য রয়েছে। এটা যে কোন ধরণের ব্যথা সারাতে কাজ কর। এমনকি বাতের ব্যথা থেকে মানুষকে মুক্তি দিতে পারে। আপনার ব্যথাস্থানে তেজপাতা পেস্ট প্রয়োগ করুন এবং এটি ২০ মিনিটের জন্য বিশ্রাম দিন। এছাড়াও, মাথার ব্যথা সারাতে এই উপসাগরীয় পাতার তেল ব্যবহার একটি প্রাচীন চিকিৎসা পদ্ধতি।
সর্দি-কাশি কমাতে
তেজপাতা শ্বাসযন্ত্র পরিষ্কার করার ক্ষমতা রাখে। যদি কারো ঠাণ্ডা কাশি হয় তবে তাকে তেজপাতা ফুটানো পানি অনেক বেশি সাহায্য করতে পারে। এতে ব্যাকটেরিয়া থেকে পরিত্রাণ পাওয়া যাবে।