৯ মে ২০২১
দোয়ারাবাজার প্রতিনিধি : দোয়ারাবাজারে ইফতারের সঙ্গে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে পরিবারের সবাইকে অজ্ঞান করে ভিকটিম এতিম স্কুলের দশম শ্রেণির এক ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত তিন জনকে আটক করেছে পুলিশ। তারা হলেন- দোয়ারাবাজার উপজেলার কাঁঠালবাড়ি গ্রামের সুরুজ মিয়ার ছেলে রিপন মিয়া (৪৫), একই উপজেলার বাংলাবাজারের নিজাম উদ্দিনের ছেলে জসিম উদ্দিন, কাঠালবাড়ি গ্রামের ১৩ বছর বয়সী অপর এক কিশোর।
শনিবার রাতে ধর্ষণের ঘটনায় জড়িত তিন আসামিকে আটক কর করা হয়। ভিকটিম এতিম স্কুলছাত্রীর পক্ষে শনিবার রাতেই থানায় তার ফুফাতো ভাই বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন।
ভিকটিম ও মামলার সূত্রে জানা যায়, উপজেলার বোগলাবাজারে দাদা-দাদির হেফাজতে ১৫ বছর বয়সী এতিম কিশোরী একটি মাধ্যমিক স্কুলে দশম শ্রেণিতে লেখাপড়া করতেন।
শুক্রবার বিকালে রমজান মাসকে সামনে রেখে মানবিক পরিচয়ে অপর এক কিশোরকে দিয়ে বোগলাবাজারে থাকা স্কুলছাত্রীর দাদা বাড়িতে কোমল পানীয় শরবত ও ইফতারসামগ্রী পাঠায় একাধিক মামলার আসামি রিপন ও তার সহযোগী জসিম।
ইফতারি খেয়ে পরিবারের সবাই অজ্ঞান হয়ে পড়লে সন্ধ্যা ৭টা হতে রাত দেড়টার মধ্যে সংজ্ঞাহীন অবস্থায় স্কুলছাত্রীকে কয়েকবার ধর্ষণ করে রিপন। শনিবার ভোরে ওই স্কুলছাত্রীর জ্ঞান ফিরলে গ্রামবাসী ও স্বজনেরা ঘটনাটি থানা পুলিশকে জানায়।
দোয়ারাবাজার থানার ওসি মোহাম্মদ নাজির আলম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, রিপনের নামে এ ধর্ষণ মামলা ছাড়াও চুরি, ডাকাতি, মাদক চোরাচালান, অজ্ঞান পার্টির পেশাদার সদস্য হিসাবে থানায় আরও ৯টি মামলা রয়েছে। জসিম মূলত রিপন ও অন্যদের কাছে লোকজনকে অজ্ঞান করার জন্য নেশাদ্রব্য বিক্রয় করত বলেও জানান ওসি।