২৬ এপ্রিল ২০২১


জাফলংয়ে ‘মন্ত্রীর সাইনবোর্ড’ সরিয়ে শ্মশান দখলে মরিয়া আতাই মেম্বার

শেয়ার করুন

ডেস্ক রিপোর্ট : দেশের অন্যতম পর্যটনকেন্দ্র কেন্দ্র সীশান্তবর্তী গোয়াইঘাট উপজেলার জাফলং। আর এই জাফলংয়ের মামারবাজার এলাকার প্রায় ২শ বছর থেকে হিন্দু ধর্মীয় সম্প্রদায়ের ব্যবহার করা শ্মশান ঘাট দখল করতে মরিয়া হয়ে উঠেছেন জাফলং ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ড ইউ পি সদস্য আতাউর রহমান ওরফে আতাই মেম্বার।

স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজন জানান, জাফলং মামার বাজার পাথর টিলা শ্মশানঘাটি প্রায় দুই’শ বছর ধরে ব্যবহার করে আসছেন স্থানীয় হিন্দুরা। কিন্তু সম্প্রতিক সময়ে এই জায়গাটিতে কুদৃস্টি পড়ে স্থানীয় পাথরখেকো আতাউর রহমান ওরফে আতাই মেম্বারের। তিনি যেকোন অপকৌশলেই এই জমিটি নিজের নিয়ন্ত্রণে নিতে মরিয়া হয়ে উঠেছেন।

স্থানীয় বাসিন্ধা ময়না দেবনাথ জানান, এই শ্মশান ঘাটে তাদের পূর্ব পুরুষদের শেষকৃত্য অনুষ্ঠান করা হয়েছে। এই শ্মশান ঘাটের উন্নয়ন ও সীমানাপ্রাচীর নির্ধারণের জন্য, স্থানীয় সংসদ সদস্য ও প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী ইমরান আহমদ ২০১৯-২০ অর্থ বছরে ১,২৩ শতক ভূমি সীমানা প্রাচীর নির্মাণের জন্য অনুদান প্রদান করেন। এর পর মন্ত্রী মহোদয়ের নাম ও দাগ-খতিয়ান সম্বলিত উন্নয়ণ কাজের একটি সাইনবোর্ডও টানানো হয়।

এর পর পরই শ্মশানের জায়গার পাশেই সরকারী জমি দখল করে বসবাসকারী স্থানীয় ইউপি সদস্য ও পাথরখেকো আতাউর রহমান ওরফে আতাই রাতের আধারে সাইনবোর্ড সড়িয়ে তার দখলীয় জায়গা বৃদ্ধি করতে করতে থাকে। বর্তমানে আতাই মেম্বার শ্মশান ঘাটের জায়গাটি উনার জায়গা বলে দাবী করছেন।

ঘটনার প্রেক্ষিতে রোববার বাংলাদেশ হিন্দু পরিষদের পক্ষ থেকে গোয়াইনঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তামিমুল ইসলামের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি অভিযোগ পেলে অবশ্যই আমরা দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন বলে স্থানীয় হিন্দু নেতাদের জানিয়েছেন।

সিলেট জেলা যুব পরিষদের সাধারণ সম্পাদক বিপ্লব কুমার পাল জানান, বিষয়টি শুনেছি স্থানীয় চেয়ারম্যান সমাধানের চেষ্টা করছেন, সমাধান না হলে অভিযোগ পেলে পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত ইউপি সদস্য আতাউর রহমান ওরফে আতাই মেম্বার বলেন, দেশের সকল খাস জমি কি হিন্দুেরে নাকি। আমার বাড়ির পাশে কিভাবে শ্মশান হয়ে যাবে?

শেয়ার করুন