৭ এপ্রিল ২০২১
ডেস্ক রিপোর্ট : দুদিন বন্ধ থাকার পর সিলেটে বাস চলাচল শুরু হলেও প্রশাসনের অনুরোধের ভিত্তিতে ফের বন্ধ করা হয়েছে। এর আগে মঙ্গলবার বিকালে সিলেটের আঞ্চলিক সড়কে বাস চলাচলের ঘোষণা দেন শ্রমিকেরা। ঘোষণা অনুযায়ী ভোর থেকে বাস চলাচল শুরুও হয়। এতে অফিসগামী মানুষের ভোগান্তি কমলেও অবশেষে তা বন্ধ করা হয়।
বুধবার ভোর থেকে সিলেটের আঞ্চলিক সড়কে বাস চলাচল শুরু হলে সকাল ১১ টার দিকে পুলিশ প্রশাসনের অনুরোধের ভিত্তিতে তা বন্ধ করা হয় বলে জানান সিলেট জেলা সড়ক পরিবহণ শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মুহিত।
এদিকে, সকালে থেকে রাজধানীসহ দেশের সকল সিটি কর্পোরেশন অভ্যন্তরে গণপরিবহন চলাচল করছে। মিরপুর, কারওয়ান বাজার, ফার্মগেট ও শাহবাগে বেশ কয়েকটি বাস চলতে দেখা গেছে বলে গণমাধ্যমের খবর থেকে জানা গেছে। এসব বাসে আসন ফাঁকা রেখে যাত্রীদের বসে থাকতে দেখা গেছে।
ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ, চট্টগ্রাম, গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ, রাজশাহী, খুলনা, সিলেট, বরিশাল, কুমিল্লা, রংপুর ও ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশন এলাকায়ও আজ সকাল থেকে বাস চলাচল শুরু হয়েছে। তবে দূরপাল্লার গণপরিবহন চলাচল যথারীতি বন্ধ থাকবে।
বুধবার কাকডাকা ভোর থেকেই সড়কে সরকারি ও বেসরকারি মালিকানাধীন গণপরিবহনের পাশাপাশি প্রাইভেটকার, জিপ, মাইক্রোবাস, মোটরসাইকেল, সিএনজিচালিত অটোরিকশা, হিউম্যান হলার, ভ্যানগাড়ি ও রিকশা অবাধে চলাচল করছে।
এছাড়া রাস্তাঘাটে মানুষের উপস্থিতিও গত দুদিনের তুলনায় বহুলাংশে বেড়েছে। কোথাও কোথাও যানজটও লেগে যেতে দেখা গেছে।
সরকারি-বেসরকারি অফিসে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারী, কারখানার শ্রমিক এবং জনসাধারণের দুর্ভোগের কথা বিবেচনা করে গণপরিবহণ চলাচলে আরোপিত বিধিনিষেধ কিছুটা শিথিল করে সরকার।
এর আগে গতকাল সরকারি ঘোষণায় বলা হয়, আজ সকাল ৬টা হতে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত দেশের সব সিটি করপোরেশন এলাকায় স্বাস্থ্যবিধি মেনে বাস-মিনিবাস চলতে পারবে। তবে এসব বাস-মিনিবাসে অর্ধেক আসন ফাঁকা রাখতে হবে।
এ ক্ষেত্রে ভাড়া নির্ধারিত হারের চেয়ে ৬০ শতাংশ বেশি কার্যকর হবে। মঙ্গলবার বিকালে নিজ বাসভবন থেকে এক অনলাইন ব্রিফিংয়ে এসব সিদ্ধান্তের কথা জানান সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।
এদিকে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে সোমবার থেকে সারা দেশে মানুষের চলাচলের ওপর কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করে সরকার। এর আওতায় রিকশাছাড়া বাস, ট্রেন, লঞ্চসহ সব ধরনের গণপরিবহণ চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়।