৭ এপ্রিল ২০২১
আজিজুল আম্বিয়া : আজকে বাংলাদেশ স্বাধীনতার ৫০ বছর তাই সরকার স্বাধীনতার রজত জয়ন্তী অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছেন । এখানে বিশ্বের সকল দেশের সাথে আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতের রাষ্ট্রপ্রধান ও নিমন্ত্রিত হন আর এটাই স্বাভাবিক কিন্তু আমরা দেখতে পেলাম হেফাজতে ইসলামের ব্যানারে এদেশের ইসলাম প্রিয় ভাইয়েরা প্রতিবাদ জানালেন, ভালো কথা যেহেতু নরেন্দ্র মোদি সাহেব ক্ষমতায় থাকা কালীন সময়ে ভারতের মুসলমান, ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ক্রান্তিকাল অতিক্রম করেছেন । সেখানে আমরা মুসলিম ব্যথিত না হয়ে পারিনা কিন্তু এটা তাঁর রাষ্ট্রীয় সফর এখানে দেশের মানুষ হিসাবে আমরা মৌন প্রতিবাদ করতে পারতাম । এখানে যে আমরা হিংস্রতার পরিচয় দিলাম। তখন প্রশাসনের কি এইবা করার ছিল হিংস্রতা বন্ধ না করে। আমাদের মুসলিম ভাইয়ের প্রাণ চলে গেল বেদীনের সাথে যুদ্ধ ছাড়াই, আপ্সুস নেতৃত্বে কত ভুল ছিল । ভারতের নরেন্দ্র মোদি চলে গেলেন তাঁর কি হয়েছে ? তিনি হয়ত জানতে পেরেছেন আন্দোলনের কথা । এটি কি তিনি জানতেননা যদি আমরা শান্তিপূর্ণ কালো পতাকার মিছিল করতাম ?তাহলে ক্ষতি কার হল ? যেখানে বঙ্গবন্ধুকে সারা বিশ্ব স্বীকৃতি দিয়েছে আন্তর্জাতিক নেতা হিসাবে সেখানে বঙ্গবন্দুর প্রতিচ্ছবিতে কেন আঘাত ? তাহলে কি আমরা আন্দোলনের নামে একটি গুষ্ঠির হয়ে কাজ করেছি ? না, বুঝলাম ইসলামের জন্য যুদ্ধ? তাহলে এখানে কই বেদীন মরে নাই কেন ? আর মক্কা বিজয়ের পর নবী তো কোন প্রতিশোধ নেন নাই । যখন ভারতে মুসলিম হত্যাযজ্ঞ ঘটল তখন তো এরকম প্রতিবাদ হয় নাই ? আর বাংলাদেশের ভাবমূর্তি যখন ভালো হচ্ছে, লন্ডনের আকাশে যখন সগৌরবে বাংলাদেশের পতাকা উড়ছে,দুবাই আল বুরুজ হোটেলে বঙ্গবন্ধুর প্রতিচ্ছবি দেখাচ্ছে, আর এই সময়ে স্বাধীনতার রজত জয়ন্তী অনুষ্ঠানে এরকম হামলা কি বুঝা যায়না এখানে স্বাধীনতা বিরুধীদের কাজ? তাই মানুষকে যোগ্য নেতা বের করতে হবে । কর্মীরা যেখানে মরতেছে সেখানে নেতা ফ্রেশ বাতাস নিতে তাঁর বন্দুর স্ত্রীকে সাথে নিয়ে যায় আর এই মহিলা নাকি তাঁর স্ত্রী, মহিলার সন্তান আর মা,বাবা জানেনা বিয়ের খবর। তাহলে কোথায় নিয়ে যাচ্ছেন আপনারা আমাদের ইসলামের মর্যাদা আর সম্মানকে । আজ সময় এসেছে এরকম লালসালুর মজিদের ভূমিকার মানুষদের সঠিক জবাব দেয়ার । আর বঙ্গবন্ধুর কন্যা শেখ হাসিনা মাদ্রাসা শিক্ষাকে দিয়েছেন মর্যাদা তাহলে আপনাদের বা আমাদের এত রাগ কেন এই মহিলার উপর ? তাহলে কি উনাকে আমরা এই ভালো কাজের প্রতিদান না দিয়ে আমাদেরই ক্ষতি করছিনা ? বুঝেন ভালো করে ইসলামকে, পূর্ববর্তী সব ইসলামি চিন্তাবিদদের আপনারা স্মরণ করুন । আর মাদ্রাসায় শিক্ষা নিতে আসা এতিম ছাত্রদের আপনাদের সম্পদ মনে করবেননা । নইলে জনগণ আপনাদের ঘর থেকে বের করে নিয়ে আসবে । এবং এটা ও হুশিয়ার করে দিতে চাই মুসলমানের উপর আঘাত আসে এমন কাজ আপনারা কেউ করবেননা। নইলে এদেশের তৌহিদী জনতা আপনাদের ছেড়ে দিবেনা । মহান আল্লাহ আমাদেরকে সঠিক পথে থাকার ক্ষমতা দান করুন। আর ইসলামের ছদ্মবেশে মুনাফিকদের হাত হতে ইসলামকে সুরক্ষা করুন। আমিন।
(লেখক : ব্যবস্থাপনা সম্পাদক, আজকের সিলেট ডটকম)