২৯ মার্চ ২০২১
স্বাস্থ্য ডেস্ক : দারুচিনি, নামটিকে আমরা শুধু মসলা হিসেবেই চিনে থাকি। তবে আপনি জানলে অবাক হবেন এই মসলায়ও আছে ভরপুর ওষধি গুণ। সারাবিশ্বের প্রায় দেশেই দারুচিনি গাছের ছাল শুকিয়ে রান্না ও ঔষধ তৈরিতে ব্যবহার করা হয়। খাবারের স্বাদ ও সুগন্ধে আলাদা মাত্রা যোগ করতে সেমাই, জর্দা, পোলাও বা বিভিন্ন রকম মিস্টিতে এর ব্যাপক ব্যবহার হয়। তবে সাম্প্রতিক কালে দারুচিনির স্বাস্থ্যগুণের কারণে চিকিৎসক থেকে সচেতন মানুষ সবার কাছে বিশেষ একটি জায়গা করে নিয়েছে। তাই আজ আমরা জানবো মসলা হিসাবে পরিচিত দারুচিনির দারুন কিছু স্বাস্থ্যগুণ।
# ওজন কমানোর জন্য দারুচিনির পানি ও মধুর মিশ্রণ সবচেয়ে বেশি উপকারী। মধু ও দারুচিনির পানির মিশ্রণ আপনার অতিরিক্ত ক্ষুধার অনুভূতি কমিয়ে দিবে ফলে আপনার ওজন আস্তে আস্তে কমতে থাকে। এটি আপনার শরীরে অতিরিক্ত মেদ জমতে দেয় না এবং আপনার ওজন বৃদ্ধি না পেতে সাহায্য করে।
# দারুচিনি পেটের জন্য ভীষণ উপকারি। এটি অ্যাসিডিটির সমস্যা দূর করে ও পেটের ব্যথা উপশম করে। এছাড়া দারুচিনি রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রন করে এবং টাইপ-২ ডায়াবেটিসের রোগীদের জন্য খুবই উপকারী ভূমিকা পালন করে।
# দারুচিনি লিম্ফোসাইটিক লিউকোমিয়ার বিস্তার রোধ করে। রক্ত জমাট না বাঁধার অসুখ হিমোফিলিয়া প্রতিরোধ করতে দারুচিনি বিশেষ ভূমিকা রাখে।
# বাতের ব্যথা ও শরীরের হাড়ের ব্যথায় আধা চামচ দারুচিনির গুড়ো এক চামচ মধুর সাথে মিশিয়ে খেলে ব্যথা দূর হয়। এছাড়া ঠাণ্ডায় গলা ব্যথা বা খুশখুশে কাশিতে মধু চায়ের সাথে দারুচিনি মিশালে আরাম পাওয়া যায়।
# নিয়মিত খাবারে দারুচিনি ব্যবহার করলে এটি মস্তিস্কের কার্যক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়। এতে মনোযোগ বৃদ্ধি করে। অর্থাৎ, নিয়মিত দারুচিনি খেলে স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি পায়। তাছাড়া এটি মস্তিস্কের বিভিন্ন ধরণের রোগ প্রতিরোধ করে।
# ত্বকের ঔজ্জ্বল্যতা বৃদ্ধিতে দারুচিনি, দূর্বাঘাস ও হলুদ সমপরিমানে বেটে মিশিয়ে ত্বকে লাগালে ভালো। তৈলাক্ত ত্বকে ব্রন রোধ করতে দারুচিনি বিশেষভাবে আপনার উপকারে আসবে।