২৫ মার্চ ২০২১
ডেস্ক রিপোর্ট : সিলেটে এক বছরে ৩ হাজার ৪২৭ জন যক্ষ্ম রোগী শনাক্ত হয়েছে। এ সময়ে এলইডি মাইক্রোসকপি ল্যাবরোটরিতে ৪২ হাজার ৬৩২ জন সন্দেহজনক যক্ষ্মরোগীর কফ পরীক্ষা করা হয়। সিলেটের সিভিল সার্জন ডা. প্রেমানন্দ মণ্ডল বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
জানা যায়, গত বছরে জাতীয় যক্ষ্ম নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির মাধ্যমে ৬ হাজার ৫৬৯ জন যক্ষ্ম রোগীকে শনাক্তপূর্বক চিকিৎসার আওতায় আনা হয়। এর মধ্যে কফে যক্ষ্ম জীবাণুযুক্ত রোগী শনাক্ত হয়েছে ৪ হাজার ২৭৩ জন। কফে জীবাণুমুক্ত ও ফুসফুস বহির্ভূত যক্ষ্মরোগী শনাক্ত হয়েছে যথাক্রমে ১ হাজার ২০২ ও ১ হাজার ৯৪ জন। শিশু যক্ষ্মরোগী (যাদের বয়স ১৫ বছরের কম) শনাক্ত হয়েছে ২৬৫ জন ও সকল ধরণের যক্ষ্মরোগী চিহ্নিতকরণের হার লাখে ১৪১ জন।
সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে জাতীয় যক্ষ্ম নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির মাধ্যমে শনাক্তকৃত সকল ধরণের যক্ষ্ম রোগীর। চিকিৎসার সাফল্যের হার ৯৪.৬৭%। ২০২০ সালে সিলেট জেলায় অবস্থিত মোট ৯টি জিন এক্সপার্ট ল্যাবরোটরিতে ১০ হাজার ৭শত ৮১ জন সন্দেহজনক যক্ষ্ম ও ঔষধ প্রতিরোধী যক্ষ্ম রোগী পরীক্ষা করা হয় এবং এর মধ্যে ৪৩ জনকে ঔষধ প্রতিরোধী যক্ষ্ম (এমডিআর) রোগী হিসাবে শনাক্ত পূর্বক চিকিৎসার আওতায় আনা হয়েছে। বর্তমানে সিলেট জেলায় সর্বমোট ২৯ জন ঔষধ প্রতিরোধী যক্ষ্ম (এমডিআর) রোগী চিকিৎসাধীন অবস্থায় আছেন।
এদিকে, বুধবার যক্ষ্ম দিবস উপলক্ষে সকালে ৯টায় একটি র্যালী বের করে জেলা সিভিল সার্জন অফিস। র্যালিটি নগরীর প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে অফিসে এক সভা অনুষ্টিত হয়।
স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তিতে এবং জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকীতে এবারের বিশ্ব যক্ষ্ম দিবসের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ হয়েছে ‘মুজিববর্ষের অঙ্গীকার যক্ষ্ম মুক্ত বাংলাদেশ গড়ার’।