২৪ মে ২০১৮
নিজস্ব প্রতিনিধি : বিগত ২২শে মে ২০১৮ইংরেজী মঙ্গলবার রাত ৯.০০ ঘটিকার দিকে নিজ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে খুন হন গোলাপগঞ্জ থানার পশ্চিম বারোকোট গ্রামের বাসিন্দা মৃত মইজ উদ্দিনের ছেলে আজির উদ্দিন (৬১)। পূর্ব শক্রুতার জেরে ঢাকা দক্ষিন পশ্চিম বাজারে অবস্থিত তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান রাজমহল সুপারশপে সন্ত্রাসীরা তাকে নির্মম ভাবে হত্যা করে।
হত্যা কান্ডের ২দিন অতিবাহিত হওয়ার পরও নিয়মিত হত্যা মামলা রুজু না হওয়ায় বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় ব্যবসায়ী ও এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে। সরেজমিন তদন্তে জানা যায় নিহত আজির উদ্দিন স্থানীয় বি.এন.পির কর্মী হলেও সক্রিয় ভাবে জড়িত ছিলেন না। তিনি এজেন্টশীপ নিয়ে রাজমহলের দোকান প্রতিষ্ঠা করেন।
স্বল্প মুনাফা, মার্জিত ব্যবহারের কারনে অতি অল্প সময়ে তার প্রতিষ্ঠান লাভজনক প্রতিষ্ঠানে রুপান্তরিত হয়। প্রতিষ্ঠানের রাতারাতি সাফল্য নজর কাড়ে অনেকেরই।তার সাথে দ্বন্দ ছিল একজন প্রভাবশালী নেতার। বিরোধের সুত্রপাত রাজনীতি নাকি ব্যবসায়িক সে সম্পর্কে তার ছেলে জুনেদ আহমদ ছাড়া সুস্পষ্ট ধারনা দিতে পারেনি কেউ।
আজির উদ্দিন বিরোধীদলের সক্রিয় না হলেও তার ছেলে জুনেদ আহমদ সাবেক ছাত্রদল নেতা এবং বর্তমান জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের স্থানীয় ঢাকা দক্ষিন ইউ. পি শাখার প্রচার সম্পাদক।
নিহত আজির উদ্দিনের অনেক হিতাকাঙ্খী থাকলেও হত্যাকারীদের সম্পর্কে মুখ খুলতে বা পরিচয় প্রকাশ করতে রাজী হয়নি কেহই। শুধুমাত্র একজন ব্যবসায়ী নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন একজন প্রভাবশালী ক্ষমতাসীন নেতার সাথে ব্যবসায়িক দ্বন্দের কারনে খুন করা হয় আজির উদ্দিনকে।
ঘটনার ২দিন পেরিয়ে গেলেও অদ্যাবধি পর্যন্ত কেন মামলা রুজু হয়নি এমন প্রশ্ন করা হয় গোলাপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে। তিনি বলেন, হত্যাকারী সম্পর্কে তদন্ত চলছে। মামলা রুজু প্রক্রিয়াধীন। নিহত আজির উদ্দিনের ছেলে জুনেদ আহমদ বলেন ফুলকলি নামক মিষ্টির দোকানের মালিক একজন ক্ষমতাসীন দলের নেতা, তার ইশারায় ব্যবসায়িক প্রতিহিংসায় মিজান মিয়া নামক ব্যক্তির নেতৃত্বে খুন করা হয় আমার পিতাকে। এটাকে রাজনীতিকরন করা হয়েছে। ঘটনার সুষ্ট তদন্ত করে দোষীদের শাস্তির দাবী করেন ব্যবসায়ী সমাজ এবং এলাকার সচেতন মহল।