১৮ এপ্রিল ২০২০
দক্ষিণ সুনামগঞ্জ প্রতিনিধিঃ করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব মোকাবেলায় নিরলস ভাবে বজ্রপাত, ঝড়-বৃষ্টি সহ রাত-বিরাতে কাজ করে যাচ্ছে দক্ষিণ সুনামগঞ্জ থানা পুলিশ। বিদেশ ফেরত, গার্মেন্টস শ্রমিকদের কোয়ারেন্টাইন নিশ্চিত, জনসচেতনতা সৃষ্টিতে মাইকিং সহ নানা উদ্যোগ গ্রহন করা হয়েছে তাদের পক্ষ থেকে। ইতিপূর্বে দক্ষিণ সুনামগঞ্জ থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ নিজ উদ্যোগে হতদরিদ্র, মধ্যবিত্তদের মাঝে বাড়ী বাড়ী গিয়ে থানা পুলিশের মাধ্যমে ত্রান সামগ্রী পৌছে দিয়েছেন।
সূত্র জানায়, দক্ষিণ সুনামগঞ্জ থানা পুলিশে উদ্যেগে বিদেশ ফেরত ১৬৩ জন যাত্রীকে হোম কোয়ারেন্টাইনের আওতায় আনা হয়েছে। ইতিপূর্বে এসব যাত্রীর ১৪ দিনের হোম কোয়ারেন্টাইনের মেয়াদ শেষ হওয়ায় উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার কার্যালয়ের পরামর্শক্রমে তাদেরকে কোয়ারেন্টাইন থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে।এছাড়াও নারায়নগঞ্জ থেকে গার্মেন্টস ফেরত ২০ জন, ঢাকা থেকে গার্মেন্টস ফেরত ৩৭ জন ও কুমিলা থেকে গার্মেন্টস ফেরত ১ জন সহ মোট ৫৮ জনের মধ্যে ৫৬ জনকে হোম কোয়ারেন্টাইনের আওতায় আনা হয়েছে। বর্তমানে ২ জনের ১৪ দিনের হোম কোয়ারেন্টাইনের মেয়াদ শেষ হওয়ায় উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার কার্যালয়ের পরামর্শক্রমে তাদেরকে কোয়ারেন্টাইন থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে।
করোনার প্রাদুর্ভাব মোকাবেলায় দক্ষিণ সুনামগঞ্জ থানা পুলিশের পক্ষ থেকে জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে প্রত্যেক থানা এলাকার গ্রাম পর্যায়ে মাইকিং করা হচ্ছে। জনগণকে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ঝুঁকি সম্পর্কে সচেতন করতে গ্রাম গঞ্জে হাঠ বাজারে প্রচারণা চালানু হয়েছে। হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকা ব্যক্তিদের বাড়ির সামনে “হোম কোয়ারেন্টাইন” স্টিকার লাগানো হয়েছে। থানা পুলিশের পক্ষ থেকে এসব ব্যক্তির উপর সার্বক্ষনিক নজরদারী অব্যাহত আছে।
দক্ষিণ সুনামগঞ্জ থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ হারুনুর রশীদ চৌধুরী বলেন, থানা এলাকায় পুলিশের বিট অনুযায়ী পুলিশ সদস্যদের মধ্যমে জনসমাগম স্থল হাট-বাজার ও ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে দায়িত্ব পালন করছেন। প্রতিদিন সুনামগঞ্জের সিলেট সুনামগঞ্জ আঞ্চলিক মহা সড়কের মেঘ-বৃষ্টি ও বজ্রপাত উপেক্ষা করে থানা পুলিশ নিয়মিত প্রহরা চালিয়ে আসছে। থানার প্রত্যেক অফিসারের মাধ্যমে বাজার মনিটরিং করা হচ্ছে। আমার থানার প্রতিটি পুলিশ সদস্য দিনে কিংবা রাতে নিয়মিত টহল জোরদার অব্যাহত রেখেছেন। ইতিমধ্যে মাননীয় পুলিশ সুপার,সুনামগঞ্জের মাধ্যমে সীমিত পর্যায়ে পিপিই সরবারাহ করা হয়েছে। আরো পিপিই সংগ্রহের চেষ্টা অব্যাহত আছে।