আরব আমিরাত প্রতিনিধিঃ বিশ্বে মহামারি করোনা ভাইরাস জনজীবন থমকে দিয়ে পুরো মানবজাতিকে গৃহবন্দি করে রেখেছে। মহামারী আকার দিন দিন বৃদ্ধি পাওয়ায় দুবাই সরকার ইতিমধ্যেই দুবাই নগরীকে লকডাউন ঘোষনা করেছে। লকডাউনের এই দুর্দিনে দুবাই সরকারের আহ্বানে সাড়া দিয়ে বাংলাদেশ কমিউনিটির ১৯ সদস্যের একদল তরুণ তরুণী স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে দুবাইয়ে থাকা বাংলাদেশী প্রবাসীদের পাশে দাড়িয়েছে।
বিশ্বের প্রথম সারির দেশ গুলো যেখানে হিমশিম খাচ্ছে করোনা ভাইরাসের এই মহামারির মোকাবেলা করতে সেখানে সংযুক্ত আরব আমিরাত খুব দক্ষভাবে তাদের মেধা এবং প্রকৃত নেতৃত্বের মাধ্যমে এই মহামারি থেকে ত্রাণ পাওয়ার যাবতীয় উপকরণ নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে। করোনার থাবা এড়াতে সবাই যখন নিজঘরে বন্দি, তখন দুবাইয়ে ঘরবন্দি মানুষের সেবায় ঘর ছেড়েছেন প্রবাসী বাংলাদেশি তরুণ-তরুণী ১৯ জন। করোনার ভয় জয় করে লকডাউনে থাকা বাংলাদেশিদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় কাজ করছেন তারা।
করোনা ভাইরাসের সংক্রামণ রোধে গত ৩১মার্চ থেকে আগামী ১৯ এপ্রিল পর্যন্ত আরব আমিরাতের বাণিজ্য নগরী দুবাইয়ের দেরা এরিয়ার “নাইফ-আলরাস” এলাকাটি পুরোপুরিভাবে লকডাউন করা হয়েছে। যেখানে প্রায় পঁচিশ হাজার প্রবাসী বাংলাদেশি বসবাস করছেন। লকডাউনে থাকা প্রবাসী বাংলাদেশিদের ঘরে থাকতে উৎসাহিত করার পাশাপাশি বিভিন্ন সমস্যার কথা তুলে ধরছেন স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্যরা।
প্রতিদিন লকডাউনের বিভিন্ন এলাকার প্রায় ২০০০ হাজার প্রবাসীদেরকে দুটো দলের মাধ্যমে ভাগ হয়ে দুবাই সরকারের সহযোগিতায় তিন বেলা খাবার সরবরাহ করে যাচ্ছে বাংলাদেশ কমিউনিটির ১৯ সদস্যের স্বেচ্ছাসেবক দল। অসুস্থ প্রবাসীদের সেবা নেওয়ার ক্ষেত্রে পরামর্শ দিয়ে দুবাই সরকারের বিভিন্ন সংস্থা তথা দুবাই পুলিশ ও দুবাই স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে টিম ১৯ দলটি।
এনটিভির আরব আমিরাতের প্রতিনিধি মামুনুর রশীদের নেতৃত্বে বাংলাদেশ কমিউনিটির ১৯ সদস্যের টিমে স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন ইমিরেটস এয়ারলাইন্সে কর্মরত কাজী ইসমাইল আলম, মোদাসসের শাহ, আনোয়ার হোসাইন, শামসুন নাহার স্বপ্না, আব্দুল্লাহ আল শাহিন, রুমা খাতুন, ফখরুদ্দিন চৌধুরী, মোহাম্মদ ইদ্রিস, মোহাম্মদ মিজানুর, আব্দুল জলিল, মঞ্জুর মোরশেদ, মোহাম্মদ নুরুল, মোহাম্মদ ইমরান, আনোয়ার আযিম, হাসান ফরহাদ, বশির চাকলাদার, মোহাম্মদ হামদান আহমেদ ও মোহাম্মদ শাইফ।