২১ জানুয়ারি ২০২০
নিজস্ব প্রতিবেদক : দ্রুততম সময়ে বর্জ্য সংগ্রহ ও বর্জ্য অপসারণের লক্ষে নতুন একটি প্রকল্পের আওতায় নগরীর প্রত্যেকটি বাসাবাড়িতে দুইটি বালতি ও একটি ব্যাগ দিচ্ছে সিলেট সিটি কর্পোরেশন।
মঙ্গলবার সকালে নগরীর ১৮ নম্বর ওয়ার্ডে প্রকল্পের কার্যক্রম উদ্বোধন করেন সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর এবিএম জিল্লুর রহমান উজ্জল, মেয়র পত্নী সামা হক চৌধুরী, সিটি কর্পোরেশনের নির্বাহী প্রকৌশলী আলী আকবর, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা শাখার প্রধান মো. হানিফুর রহমান প্রমুখ।
এসময় মেয়র আরিফ বলেন, সিলেট নগরীকে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখতে নিয়মিত কার্যক্রমের পাশাপাশি বিশেষ এই পরীক্ষামূলক প্রকল্প হাতে নেয়া হয়েছে। চলমান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে নতুন এই প্রকল্পটি বিশেষ ভূমিকা রাখবে।
মেয়র আরও বলেন, দ্রুততম সময়ের মধ্যে বাসাবাড়িতে উৎপাদিত বর্জ্য সংগ্রহ করা এবং বর্জ্য ডাম্পিং গ্রাউন্ডে সরিয়ে নেয়ার লক্ষে বাড়ি বাড়ি পৃথক পৃথক বর্জ্য সংগ্রাহক সরঞ্জাম দেয়া হচ্ছে। পরীক্ষামূলক এই প্রকল্পে সুফল পাওয়া গেলে পরবর্তীতে পুরো নগরীতে এর বাস্তবায়ন করা হবে বলেও জানান তিনি।
সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা শাখার প্রধান মো. হানিফুর রহমান জানান, আগামী তিন দিনের মধ্যে সিটি কর্পোরেশনের ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের ৬০০টি বাসাবাড়িতে পরীক্ষামূলক এই প্রকল্পের বর্জ্য সংগ্রাহক সরঞ্জাম দেয়া হবে। একটি করে লাল ও নীল প্লাস্টিকের বালতি এবং একটি প্লাস্টিক ব্যাগ দেয়া হবে।
তিনি জানান, লাল বালতিতে বাসাবাড়িতে উৎপাদিত অপচনশীল দ্রব্য যেমন ভাঙ্গা প্লাস্টিক বা কাঁচ জাতীয় জিনিস, ঔষধের খোসা, সিরিঞ্জ ইত্যাদি। নীল বালতিতে ঘরে উৎপাদিত সকল পচনশীল বর্জ্য এবং ব্যাগে প্লাস্টিক-পলিথিন ইত্যাদি আলাদা আলাদা ভাবে সংরক্ষণ করা হবে। পরে সিটি কর্পোরেশনের বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় নিয়োজিত কর্মীরা প্রতিদিন পচনশীল বর্জ্য অর্থাৎ নীল বালতি থেকে বর্জ্য সংগ্রহ করবেন। এছাড়া লাল বালতি এবং প্লাস্টিক ব্যাগে সংগৃহীত বর্জ্য প্রয়োজন অনুযায়ী সংগ্রহ করবে পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা।
পরীক্ষামূলক এই প্রকল্পের মাধ্যমে বাসা বাড়িতে উৎপাদিত বর্জ্য বাছাইকরণ, দ্রুত অপসারণ ও পরিবেশ দূষণ কমাতে নগরবাসীর সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।