১২ নভেম্বর ২০১৯


কারও সার্টিফিকেট নিয়ে রাজনীতি করি না : সুলতান মনসুর

শেয়ার করুন

ডেস্ক রিপোর্ট : জনগণই রাজনৈতিক সার্টিফিকেট দেয় বলে মন্তব্য কর ডাকসুর সাবেক ভিপি ও মৌলভীবাজার-২ আসনের সংসদ সদস্য সুলতান মোহাম্মদ মনসুর আহমদ বলেছেন, কারও সার্টিফিকেট নিয়ে আমি রাজনীতি করি না। আমার সার্টিফিকেট দেওয়ার অধিকার জনগণের। গত নির্বাচনে জনগণ সার্টিফিকেট দিয়েছে আমি কে। আমার সম্পর্কে কে কি বললো তাতে কিছু যায় আসে না। গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক পরিবেশে একে অন্যের বিষয়ে অনেক কথাই বলবে। এসব বিষয় নিয়ে মন্তব্য নিষ্প্রয়োজন।

এর আগে রোববার কুলাউড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনে দলটির সাংগঠনিক সম্পাদক মিসবাহ উদ্দিন সিরাজ গণফোরাম থেকে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে নির্বাচিত সংসদ সদস্য সুলতান মোহাম্মদ মনসুর আহমদকে ‘জাতীয় বেইমান’ ও বিকল্পধারা থেকে নৌকা প্রতীক নিয়ে সংসদ নির্বাচনে অংশ নেওয়া সাবেক সংসদ সদস্য এম এম শাহীনকে ‘বহিরাগত’ বলে আখ্যায়িত করেন। এর প্রতিক্রিয়ায় সুলতান মনসুর এসব কথা বলেন।

এদিকে, দলের সাংগঠনিক সম্পাদকের বক্তব্যকে সঠিক বলে দাবি করে কুলাউড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি রফিকুল ইসলাম রেনু বলেছেন, মিসবাহ উদ্দিন সিরাজ দলের পক্ষ থেকে দায়িত্ব নিয়ে কথা বলেছেন। সেখানে আমার কিছু বলার নেই। উনি যা বলেছেন তাই সঠিক।

কুলাউড়া আওয়ামী লীগের সম্মেলনে আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মিসবাহ উদ্দিন সিরাজ মৌলভীবাজার-২ আসনের সাংসদ সুলতান মোহাম্মদ মনসুর আহমদকে ইঙ্গিত করে বলেন, যাকে আমাদের নেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গড়ে তুলেছেন তিনি বেইমান মুনাফিকদের খাতায় নাম লিখিয়েছিলেন। জননেত্রী শেখ হাসিনা তাকে (সুলতান মনসুরকে) ছাত্রলীগের সভাপতি, ডাকসুর ভিপি, এমপি ও আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বানিয়েছেন। অথচ তিনি সংগঠনের নেতাদের বুকে ছুরি মেরে অন্য দলে গিয়েছেন। বিভিন্ন ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছেন। আওয়ামী লীগে এমন বেইমানের কখনো ঠাঁই হবে না।

 

প্রসঙ্গত, গত রোববার ‘সুলতান মনুসর আ.লীগের সাথে বেইমানি করেছেন : মিসবাহ’ শিরোনামে আজকের সিলেটে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। এর পরই এটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়ে পড়ে।

শেয়ার করুন