৩০ অক্টোবর ২০১৯


নদী ভাঙ্গন ও জলাবদ্ধতায় দুশ্চিন্তাগ্রস্ত জকিগঞ্জবাসী

শেয়ার করুন

জকিগঞ্জ প্রতিনিধি : জকিগঞ্জে নদীভাঙ্গন ও জলাবদ্ধতা উপজেলার কৃষকদের দেউলিয়া করে তুলেছে। এক সময় জকিগঞ্জকে শস্যাগার হিসাবে আখ্যায়িত করা হতো। এখন খাল-বিল খননের অভাবে সর্বত্রই সময়-অসময়ে দেখা দেয় জলাবদ্ধতা। পানি নিস্কাশনের কোনো পদক্ষেপ যথাসময়ে নেন না সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীলরা। এতে কৃষকরা ক্ষেতের মৌসুমে হাত গুটিয়ে দুঃশ্চিন্তায় সময় কাটান।

উপজেলার সর্ববৃহৎ রহিমপুর খালে প্রায় ১ কোটি টাকা ব্যয়ে একটি সুইস গেট নির্মাণ করা হয়। এই নির্মাণের কয়েক মাস যেতে না যেতেই পানি নিস্কাশনের ব্যবস্থা বন্ধ হয়ে যায়। স্লুইস গেটের দক্ষিণ পাশে রহিমপুরী খালে পলিমাটি ভরাটকৃত জায়গায় এলাকার লোকজন রবিশস্য চাষ করেছেন। স্লুইস গেটটি গভীর থেকে নির্মাণ না করার কারণে এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে বলে এলাকাবাসী মনে করেন। এ দুরবস্থার কারণে ঐ এলাকার হাজার হাজার একর জমিতে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। তাতে জমিগুলো অনাবাদি হয়ে পড়ে।

এদিকে উপজেলার পিল্লাখান্দি গ্রামের শাহ শরীফের মাজারের পশ্চিমে সমু মিয়া, মনা মিয়া, ইসলাম উদ্দিন, হারিছ আলীর বাড়ি কুশিয়ারা নদীর ভাঙ্গনে বিলীন হয়ে গেছে। আর বেশ কয়েকটি বাড়ি বিলীন হওয়ার পথে। শাহ শরীফ মাজারে ভাঙ্গন রোধের লক্ষ্যে পাথর ফেলা হলেও বাড়িগুলোর ভাঙ্গন রোধে কর্তৃপক্ষ কোনো পদক্ষেপ নেননি।

এদিকে ভক্তিপুর, নওয়াগ্রাম, গঙ্গারজল, ইছাপুর গ্রামে কুশিয়ারা নদীর ভাঙ্গন ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। শীঘ্রই ভাঙ্গন রোধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহন না করলে এসব গ্রাম কুশিয়ারায় বিলীন হয়ে যেতে পারে।

শেয়ার করুন