৯ আগস্ট ২০১৯
নিজস্ব প্রতিবেদক, সিলেট :

ঈদের বাকি হাতেগুনা কয়েকদিন। দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে গরু আসছে, কিন্তু হাটে ক্রেতাদের তেমন আনাগোনা নেই। বেশীভাগ ক্রেতাই গরু দেখছেন; কিনছেন না।
বৃহস্পতিবার বিকেলে সিলেট নগরের ঐতিহ্যবাহী কাজীরবাজার পশুর হাট ঘুরে এই চিত্র দেখা গেছে। তবে শুক্রবার থেকে বেচাকেনা বাড়তে পারে বলে ধারণা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
সিলেটের অন্যতম এই পশুর হাটকে সাজিয়ে গুছিয়ে তুলেছে কর্তৃপক্ষ। খোলা আকাশের নিচে সামিয়ানা টাঙিয়ে নিচে সারিবদ্ধভাবে বাঁশ দিয়ে তৈরি করা হয়েছে গরু বেঁধে রাখার স্থান।
এক গরু ব্যবসায়ী জানান, কোরবানীর পশু যথেষ্ট এসেছে, এখনো আসছে; তবে ক্রেতা কম। তবে কেনাবেচা এখন পর্যন্ত কম হলেও
রহিম নামের আরেক বিক্রেতা জানান, ছয়টি বড় আকারের গরু নিয়ে হাটে এসেছেন তিনি। তবে এখন পর্যন্ত একটি গরুও বিক্রি করতে পারেননি। তাঁর আনা সবচেয়ে বড় গরুটির দাম হেঁকেছেন চার লাখ পঞ্চাশ হাজার টাকা। তবে এখন পর্যন্ত কেউ দামদর করেনি বলেও জানান তিনি।
জাল টাকা শনাক্তে আছে সনাক্তকরণ ব্যাংক বুথ
ঈদুল আজহায় কোরবানি প্রথার কারণে কিছু অসাধু চক্র জাল টাকা বাজারে ছেড়ে বিক্রেতাদের প্রতারণা করতে চায়। আর এই লক্ষ্যে কোরবানির পশুর হাটে নগদ লেনদেনকে কেন্দ্র করে অপরাধীদের তৎপরতা ঠেকাতে গুরুত্বপূর্ণ এ পশুর হাটে আছে ব্যাংকের বুথ। জাল নোট শনাক্তকারী মেশিনের সহায়তায় অভিজ্ঞ ক্যাশ কর্মকর্তাদের দ্বারা ঈদের আগের রাত পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে পশু ব্যবসায়ীদের বিনা খরচে নোট যাচাই সংক্রান্ত সেবা দেওয়া হচ্ছে সেখানে।
ব্যবসায়ীরা এই সেবায় অনেক খুশি। এতে জাল টাকা দিয়ে বিক্রেতাদের ঠকানোর প্রবণতা একদমই কমে আসবে। এতে করে লোকসানের সম্মুখীন হতে হবে না কাউকেই।
আব্দুল করিম নামের এক ব্যবসায়ী বলেন, কোরবানী ঈদে পশু কেনাবেচা হয়। কাচাটাকার কারবার থাকে। এই সুযোগে কিছু অসাধু মানুষ বিক্রেতাদের ঠকাতে চায় আসল টাকার ভেতরে জাল টাকা দিয়ে। বুথের কারণে এই ঝামেলা থেকে মুক্তি মিলবে সহজেই।
সার্বিক নিরাপত্তায় তৎপর আইনশৃঙ্খলা বাহিনী
পশুর হাটের সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করার পাশাপাশি কোনো ভাবে নিরাপত্তা হুমকি তৈরি হচ্ছে কিনা বা অপরাধমূলক কর্মকান্ড ঠেকাতে পুলিশের পক্ষ থেকে নেয়া হয়েছে বেশ কিছু পদক্ষেপ।
সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, নগরের প্রত্যেকটি পশুরহাটের সার্বিক নিরাপত্তায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। তাছাড়া পুলিশের টহল টিম সবসময় মাঠে আছে। কাজিরবাজার পশুর হাটেও এর ব্যতিক্রম নয়। বিশেষ করে সিলেটের সবচেয়ে বড় পশুর হাট হিসেবে এ হাটের সার্বিক নিরাপত্তায় পুলিশ সর্বদা প্রস্তুত আছে বলে বলে জানিয়েছে নগর পুলিশ।
এদিকে নগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (গণমাধ্যম) জেদান আল মুসা স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনা গণমাধ্যমে পাঠানো হয়। একই সাথে যে কোন বিষয়ে পুলিশের সহযোগিতা গ্রহণের জন্যও বলা হয়।
নির্দেশনাগুলো হলো :