২৮ আগস্ট ২০১৭


মৌলভীবাজারে আবারো বন্যা পরিস্থিতির অবনতি

শেয়ার করুন

মৌলভীবাজার প্রতিনিধি : গত দু’দিনের টানা বৃষ্টি আর উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। আবারো নতুন করে প্লাবিত হয়েছে কাউয়াদীঘি হাওড় বেষ্টিত মৌলভীবাজার সদরসহ রাজনগর উপজেলার ১০টি ইউনিয়নের অর্ধশত গ্রাম। এছাড়া হাকালুকি হাওড় বেষ্টিত কুলাউড়া ও জুড়ি উপজেলার বন্যা পরিস্থিতির কোনো উন্নতি নেই।

দীর্ঘ মেয়াদী বন্যায় ইতিমধ্যে মৌলভীবাজার ও রাজনগর উপজেলা কাওয়াদীঘী হাওড় বিপর্যস্থ। গত দুদিনের বৃষ্টিতে কুলাউড়া ও জুড়ি উপজেলার হাকালুকি হাওড়ের পানি বৃদ্ধি পেয়ে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বন্যা পরিস্থিতি কিছুটা উন্নতি হয়েছিল। কিন্তু গত ৪/৫ দিনের টানা বর্ষণ ও উজান থেকে ছড়া দিয়ে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে আবারো মৌলভীবাজার সদর ও রাজনগর উপজেলার মানুষ বন্যাকবলিত হয়ে পড়েছে। নতুন করে প্লাবিত হয়েছে অর্ধশত গ্রাম। নতুন করে বাড়ি-ঘরে পানি প্রবেশ করেছে। তলিয়ে গেছে রাস্থাঘাট, ফসলী জমি ও রুপা আমনের বীজতলা।

কুলাউড়া, জুড়ী ৪ টি ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। ফলে এলাকার অধিকাংশ বাড়ী-ঘর, রাস্থা-ঘাট বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে। জুড়ি উপজেলার আঞ্চলিক মহাসড়ক হয়েছে প্লাবিত। এছাড়া মনু ও ধলাই নদীর পানি বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

যার দরুণ নতুন করে ঘর-বাড়ি প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কায় রয়েছেন নদী পাড়ের বাসিন্দারা। হঠাৎ করে এভাবে পানি বাড়তে থাকায় আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে বাসিন্দারা। বন্যা তাদের পিছনে জোঁকের মতো লেগে আছে বলে মন্তব্য করেন তারা।

পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা যায়, ধলাই নদীর পানি বিপদ সীমার ১০ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে। যার ফলে আবার নতুন করে প্লাবিত হয়েছে গ্রামগুলো। নদীর পানি বিপদ সীমার নীচ দিয়ে প্রবাহিত হলেই মৌলভীবাজার জেলার সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হবে বলে জানা যায়।

রাজনগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. শরিফুল ইসলাম জানান, গত দুদিনে বৃষ্টিতে পানি আবার বিপদসীমা অতিক্রম করেছে। নতুন করে বেশ কিছু গ্রাম আবারো প্লাবিত হয়েছে। তারা ক্ষয়-ক্ষতির পরিমাণ কমানোর আপ্রান চেষ্টা করে যাচ্ছেন।

 

 

(আজকের সিলেট/২৮ আগষ্ট/ডি/বিবা/এমকে/ঘ.)

শেয়ার করুন