১৬ জুলাই ২০১৯

নিজস্ব প্রতিবেদক : নানা নাটকীয়তার জন্ম দিয়েছে নগরের শামীমাবাদ এলাকা থেকে অস্ত্রসহ দুই যুবকের আটকের ঘটনা। স্থানীয়রা বলছেন ঘটনাটি কোতোয়ালী পুলিশের কারসাজী। তাদের দাবি জায়গা নিয়ে বিরোধের জেরে পরিকল্পিতভাবে ঘটনাটি ঘটিয়েছে একটি চক্র।
গ্রেফতারের ঘটনাকে নাটকীয় এবং ষড়যন্ত্র বলে দাবি করে বাসার মালিক শামীম খান বলেন, এই জায়গা নিয়ে একটি পক্ষের সাথে বিরোধ রয়েছে। জায়গাটি জোর পূর্বক দখল করার জন্য একটি পক্ষ ইতোমধ্যে কয়েকবার সঙ্গীয় দলবল নিয়ে দখলের অপচেষ্ঠা চালিয়েছে। পরে এলাকাবাসীর প্রতিরোধের মুখে তারা পালিয়ে যায়। ঘটনার পর থেকে আমি নিজেকে নিরাপত্তাহীন উল্লেখ করে থানা পুলিশেও জিডি দায়ের করি।তাছাড়া, বাসায় নিজের নিরাপত্তার স্বার্থে আমার পরিচিতজন এবং ঘণিষ্টজন হিসেবে তাদেরকে রাতে বাসায় থাকার জন্য অনুরোধ করি। কিন্তু কোতোয়ালী থানা পুলিশ গভির রাতে বাসায় ঢুকে এবং ওই দুইজনকে নাটকীয়ভাবে অস্ত্রসহ গ্রেফতার করে।
গ্রেফতারকৃত যুবকদের যুবলীগ কর্মী হিসেবে দাবি করা হলেও এরা দুজন জেলা ও মহানগর যুবলীগের কেউ নয় বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে।
এব্যাপারে জেলার শীর্ষনেতৃবৃন্দ বলেন, যুবলীগের শীর্ষ নেতৃবৃন্দের কাছ থেকে নিশ্চিত না হয়ে কাউকে যুবলীগের কর্মী দাবি করে সংবাদ প্রকাশ করা কোনো অবস্থায়ই সমিচীন নয়।
বিষয়টি জানতে চাইলে কতোয়ালী থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সেলিম মিয়া বলেন, গ্রেফতারকৃতরা সন্দেহজনকভাবে মামলার আসামী । গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে আসামীদের আটক করা হয়।
প্রসঙ্গত, রোববার নগরীর শামীমাবাদ হলিভিউ ২০৫ নং বাসার তয় তলা থেকে আসামীদের আটক করা হয়। গ্রেফতারকৃতরা হল হলেন শফিকুজ্জামান সিয়াম (২২)। তিনি ময়মনসিংহ জেলার বাগমাড়া গ্রামের মৃত নুরুজ্জামানের ছেলে এবং অপরজন মিন্টু মিয়া (২১) কুমিল্লা জেলার ভাঙ্গুরা থানার দৌলতপুর গ্রামের মৃত ওয়াহিদ মিয়ার ছেলে। বর্তমানে কুয়ারপাড় এলাকার মাহমুদ মিয়ার বাসার ভাড়াটিয়া।