২১ এপ্রিল ২০১৯


ধর্মীয় ভাব-গাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে পালিত হচ্ছে শবে বরাত

শেয়ার করুন

নিজস্ব প্রতিবেদক

সিলেট : ধর্মীয় ভাব-গাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে সিলেটে পালিত হচ্ছে পবিত্র শবে বরাত। নিজ নিজ গুনাহ মাফের আশায় আল্লার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা ও বিশ্ব মুসলিম উম্মার শান্তি-সমৃদ্ধি কামনার মধ্য দিয়ে পালিত হচ্ছে পবিত্র শবে বরাত।

সিলেটের হযরত শাহজালাল (রহ.) এর মাজারসহ শহরের বিভিন্ন মসজিদ ঘুরে দেখা গিয়েছে, আল্লার নৈকট্য লাভে রাতভর নামাজ আদায়, কোরআন তিলাওয়াত, জিকির-আসকার ও নফল ইবাদতে মশগুল আছেন ধর্মপ্রাণ মুসলমানেরা। পুরনো ভুল-ত্রুটি থেকে মুক্তি আর পাপ ও পঙ্কিলতা মুক্ত আগামী দিনের কামনায় মসজিদে মসজিদে ধর্মপ্রাণ মুসলমানেরা বিশেষ দোয়া করছেন।

পরম করুনাময় মহান আল্লাহ তায়ালার দরবারে দুই হাত তুলে অশ্রু বিসর্জন করে মসজিদে-মসজিদে রাতভর নফল ইবাদত ও মোনাজাতে মগ্ন আছেন ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা। উদ্দেশ্য মহিমান্বিত লাইলাতুল বরাতের রাতে সৃষ্টিকর্তার নৈকট্য লাভ, পাপ মুক্তি ও সুন্দর আগামীর। মর্যাদাপূর্ণ শাবান মাসের মাঝামাঝি এ পবিত্র রজনীতে নফল এবাদত করার প্রতি গুরুত্বারোপ করেছেন আলেমরা। তবে শবেবরাতের সুনির্দিষ্ট কোনো নামাজ নেই বলে জানান অনেক আলেম।

জাতীয় মসজিদ বায়তুল মুকাররমের পেশ ইমাম মুফতি মুহিউদ্দীন কাসেম বলেছেন, ‘আমরা এই রাতে অধিক পরিমাণে এবাদত বন্দেগি করব। তবে সেই সাথে অবশ্যই লক্ষ্য রাখব, এবাদত করতে গিয়ে নিজেদের মনগড়া কোনো পদ্ধতি অবলম্বন করব না। যেইভাবে কোরআন এবং হাদিসে এসেছে সেভাবে আমরা এবাদত বন্দেগি করব। যেকোনো সুরা দিয়ে যেকোনোভাবে নামাজ পড়লেই হবে, কোনো সমস্যা নেই।

এবাদত ছাড়া এ রাতে আতশবাজি কিংবা হালুয়া রুটির আয়োজনসহ যেকোনো জাকজমকপূর্ণতার আয়োজন করা সম্পূর্ণ নিষেধ করা হয়েছে ইসলামে।

মুফতি মুহিউদ্দীন কাসেম বলেন, ‘আমি এলাকার মাইক ব্যবহার করে এরকমভাবে জিকির করতে শুরু করব ওই এলাকায় যত মা-বোন আছে, ছোট বাচ্চা আছে সবার ঘুম হারাম হয়ে গেল, সকলের এবাদত বন্দেগি নষ্ট হয়ে গেল, এটা করা যাবে না। আতশবাজি ফুটিয়ে বা এই ধরনের চিল্লাচিল্লি এবাদতের বিঘ্ন ঘটানোর তো প্রশ্নই আসে না।

মুফতি মুহিউদ্দীন কাসেম আরো বলেন, ‘মা-বোনদের দেখা যায়, এই রাতে হালুয়া-রুটি তৈরিতে তারা ব্যস্ত থাকে। এটা একেবারেই ইসলামের সাথে এর সম্পর্ক নেই। যেটা এবাদত না, সেটাকে এবাদত মনে করলে অবশ্যই গুনাহ হবে।’ এ রাতেই মানবজাতির ভাগ্য নির্ধারণ করা হয় এ বিষয়ে ও একমত নন আলেমগণ।

মহিমান্বিত এ রজনীতে রাতব্যাপী এবাদত, বন্দেগি, জিকির ছাড়াও এ রাতে মুসলমানরা মৃত বাবা-মা ও আত্মীয়স্বজনসহ প্রিয়জনদের কবর জিয়ারত করছেন। তাই এ রাতে শাহজালাল (রহ.) এবং মানিক পীর (রহ.) কবরস্থানসহ অন্যান্য কবরস্থানগুলোতে মুসল্লিদের উপচে পড়া ভিড় দেখা যায়।

পবিত্র শবে বরাত উপলক্ষে সোমবার সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।

ধর্মীয় ভাব-গাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে পালিত হচ্ছে শবে বরাত
নিজস্ব প্রতিবেদক
সিলেট : ধর্মীয় ভাব-গাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে সিলেটে পালিত হচ্ছে পবিত্র শবে বরাত। নিজ নিজ গুনাহ মাফের আশায় আল্লার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা ও বিশ্ব মুসলিম উম্মার শান্তি-সমৃদ্ধি কামনার মধ্য দিয়ে পালিত হচ্ছে পবিত্র শবে বরাত।

সিলেটের হযরত শাহজালাল (রহ.) এর মাজারসহ শহরের বিভিন্ন মসজিদ ঘুরে দেখা গিয়েছে, আল্লার নৈকট্য লাভে রাতভর নামাজ আদায়, কোরআন তিলাওয়াত, জিকির-আসকার ও নফল ইবাদতে মশগুল আছেন ধর্মপ্রাণ মুসলমানেরা। পুরনো ভুল-ত্রুটি থেকে মুক্তি আর পাপ ও পঙ্কিলতা মুক্ত আগামী দিনের কামনায় মসজিদে মসজিদে ধর্মপ্রাণ মুসলমানেরা বিশেষ দোয়া করছেন।

পরম করুনাময় মহান আল্লাহ তায়ালার দরবারে দুই হাত তুলে অশ্রু বিসর্জন করে মসজিদে-মসজিদে রাতভর নফল ইবাদত ও মোনাজাতে মগ্ন আছেন ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা। উদ্দেশ্য মহিমান্বিত লাইলাতুল বরাতের রাতে সৃষ্টিকর্তার নৈকট্য লাভ, পাপ মুক্তি ও সুন্দর আগামীর। মর্যাদাপূর্ণ শাবান মাসের মাঝামাঝি এ পবিত্র রজনীতে নফল এবাদত করার প্রতি গুরুত্বারোপ করেছেন আলেমরা। তবে শবেবরাতের সুনির্দিষ্ট কোনো নামাজ নেই বলে জানান অনেক আলেম।

জাতীয় মসজিদ বায়তুল মুকাররমের পেশ ইমাম মুফতি মুহিউদ্দীন কাসেম বলেছেন, ‘আমরা এই রাতে অধিক পরিমাণে এবাদত বন্দেগি করব। তবে সেই সাথে অবশ্যই লক্ষ্য রাখব, এবাদত করতে গিয়ে নিজেদের মনগড়া কোনো পদ্ধতি অবলম্বন করব না। যেইভাবে কোরআন এবং হাদিসে এসেছে সেভাবে আমরা এবাদত বন্দেগি করব। যেকোনো সুরা দিয়ে যেকোনোভাবে নামাজ পড়লেই হবে, কোনো সমস্যা নেই।

এবাদত ছাড়া এ রাতে আতশবাজি কিংবা হালুয়া রুটির আয়োজনসহ যেকোনো জাকজমকপূর্ণতার আয়োজন করা সম্পূর্ণ নিষেধ করা হয়েছে ইসলামে।

মুফতি মুহিউদ্দীন কাসেম বলেন, ‘আমি এলাকার মাইক ব্যবহার করে এরকমভাবে জিকির করতে শুরু করব ওই এলাকায় যত মা-বোন আছে, ছোট বাচ্চা আছে সবার ঘুম হারাম হয়ে গেল, সকলের এবাদত বন্দেগি নষ্ট হয়ে গেল, এটা করা যাবে না। আতশবাজি ফুটিয়ে বা এই ধরনের চিল্লাচিল্লি এবাদতের বিঘ্ন ঘটানোর তো প্রশ্নই আসে না।

মুফতি মুহিউদ্দীন কাসেম আরো বলেন, ‘মা-বোনদের দেখা যায়, এই রাতে হালুয়া-রুটি তৈরিতে তারা ব্যস্ত থাকে। এটা একেবারেই ইসলামের সাথে এর সম্পর্ক নেই। যেটা এবাদত না, সেটাকে এবাদত মনে করলে অবশ্যই গুনাহ হবে।’ এ রাতেই মানবজাতির ভাগ্য নির্ধারণ করা হয় এ বিষয়ে ও একমত নন আলেমগণ।

মহিমান্বিত এ রজনীতে রাতব্যাপী এবাদত, বন্দেগি, জিকির ছাড়াও এ রাতে মুসলমানরা মৃত বাবা-মা ও আত্মীয়স্বজনসহ প্রিয়জনদের কবর জিয়ারত করছেন। তাই এ রাতে শাহজালাল (রহ.) এবং মানিক পীর (রহ.) কবরস্থানসহ অন্যান্য কবরস্থানগুলোতে মুসল্লিদের উপচে পড়া ভিড় দেখা যায়।

পবিত্র শবে বরাত উপলক্ষে সোমবার সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।

শেয়ার করুন