১৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৯


শাবিতে আওয়ামীপন্থী শিক্ষকদের নিরঙ্কুশ বিজয়

শেয়ার করুন

শাবি প্রতিনিধি : শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সংগঠন ‘শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি’র নির্বাচন-২০১৯ আওয়ামীপন্থী সমর্থিত শিক্ষকদের প্যানেল ‘মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধ শিক্ষক পরিষদ’ নিরঙ্কুশ বিজয় অর্জন করেছে।

নির্বাচনে ১১টি পদের বিপরীতে সভাপতি-সম্পাদকসহ ৯টি পদে জয়লাভ করেছে। এতে সভাপতি হিসেবে ১৫৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক ড. এস এম সাইফুল ইসলাম এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে ১৭০ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক মো. আনোয়ার হোসেন।

এছাড়া সহ-সভাপতি পদে ১৭৫ ভোট পেয়ে রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক ড. দীপেন দেবনাথ, কোষাধ্যক্ষ পদে ১৭৫ ভোট পেয়ে কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং ও পলিমার সায়েন্স বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মুহিবুল আলম, যুগ্ম-সম্পাদক পদে ১৮৫ ভোট পেয়ে ফুড এন্ড টি টেকনোলজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. আফজাল হোসেন নির্বাচিত হয়েছেন।

নির্বাচনে ছয়টি সদস্য পদের বিপরীতে ৪টি পদে একই প্যানেল থেকে ১৬৭ ভোট পেয়ে সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল গণি, ১৫৩ ভোট পেয়ে ফুড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. অনিমেষ সরকার, ১৬৫ ভোট পেয়ে জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ড. মো. আশরাফুজ্জামান, ১৫৫ ভোট পেয়ে অর্থনীতি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল বাকী নির্বাচিত হয়েছেন।

রাত সাড়ে ১২টায় ভোট গণনা শেষে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ড. আসিফ ইকবাল এ ফলাফল ঘোষণা করেন।

অপর দিকে আওয়ামী-বামপন্থী শিক্ষকদের প্যানেল ‘মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও মুক্তচিন্তা চর্চায় ঐক্যবদ্ধ শিক্ষকবৃন্দ’ প্যানেল থেকে ২টি সদস্য পদে ১৯৯ ভোট পেয়ে সিভিল এন্ড এনভায়রনমেন্টাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. জহির বিন আলম এবং ১৪৭ ভোট পেয়ে সমাজকর্ম বিভাগের অধ্যাপক আমিনা পারভীন নির্বাচিত হয়েছেন।

অন্যদিকে, বিএনপি-জামায়াতপন্থী শিক্ষকদের প্যানেল ‘মহান মুক্তিযুদ্ধ, বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ ও ধর্মীয় মূল্যবোধে শ্রদ্ধাশীল শিক্ষক ফোরাম’ থেকে কোনো প্রার্থী বিজয়ী হতে পারেননি।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার ড. আসিফ ইকবাল জানান, নির্বাচনে আওয়ামীপন্থী শিক্ষকদের দুটি ও বিএনপি-জামায়াতপন্থী শিক্ষকদের একটি প্যানেল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছে। মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৯টা থেকে শুরু হয়ে বিকেল ৪টা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয় ক্লাবে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের মধ্য থেকে তিনটি প্যানেলে মোট ৩৩ জন প্রার্থী ১১টি পদের বিপরীতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। তিনটি প্যানেলের বাইরে স্বতন্ত্রভাবে কেউ অংশগ্রহণ করেননি। এ বছর মোট ভোটার ৫৫০ জন শিক্ষকের মধ্যে ৪০২ জন ভোট প্রদান করেছেন।

শেয়ার করুন