৪ জানুয়ারি ২০১৯

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি : কৃষি যান্ত্রিকীকরণের সুযোগে দিরাই-শাল্লায় এখন কৃষিতে আধুনিকতার ছোঁয়া লেগেছে। উপজেলা দু’টোতে ভাল ফলনের আশায় কৃষকরা মান্ধাতার আমলের কৃষি পদ্ধতি বাদ দিয়ে আধুনিক পদ্ধতিতে জমি চাষাবাদ করছেন।
ফলে কৃষকরা জমিতে অধিক ফলন পাচ্ছেন। তবে, দিরাই ও শাল্লা উপজেলায় গো-চারণ ভূমি কমে যাওয়ায় চরমভাবে গো-খাদ্যের সংকট বিরাজ করায় অনেক কৃষক তাদের গোবাদি পশু পালন ছেড়ে দিয়েছেন।
অন্যদিকে, জমি চাষাবাদের জন্য সরকারি ভর্তুকী ভাল থাকায় কৃষকরা জমি চাষাবাদের জন্য সমবায়ভিত্তিতে পাওয়ার ট্রিলার ক্রয় করে নিচ্ছেন।
তারা জানান, পাওয়ার ট্রিলার দিয়ে অল্প সময়ে অধিক জমি চাষ করা যায়।
এদিকে, মান্ধাতার আমলের দোন-সেঁউতিয়ে জমিতে পানি সেচ না করে শ্যালো মেশিন দিয়ে অল্প সময়ে জমিতে পানি সেচ করা হচ্ছে। এতে শারীরিক কষ্টও দূর হচ্ছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, উপজেলায় কৃষি যান্ত্রিকীকরণের আওতায় ভর্তুকীতে প্রায় ৫০টি পাওয়ার ট্রিলার কৃষকের মধ্যে প্রদান করা হয়েছে এবং ওই দুটো উপজেলায় ব্যক্তি মালিকাধীন আরও ৫৪০০শ’টি পাওয়ার ট্রিলার রয়েছে।
দিরাই উপজেলা সহকারি কৃষি কর্মকর্তা রণধীর ভূষণ দাশ জানান, দিরাইয়ে জমিতে পানি সেচ করার জন্য ব্যক্তি পর্যায়ে প্রায় ২০০০ হাজার শ্যালো মেশিন রয়েছে। এসব শ্যালো মেশিন দিয়ে দ্রুত সেচ ও সহজে বহনযোগ্য হওয়ায় কৃষকরা শ্যালো মেশিনের প্রতি অধিক মনোযোগি হয়েছেন।
তিনি বলেন, আধুনিক যন্ত্রপাতি দিয়ে চাষাবাদে যেমন সময় কম লাগছে, তেমনি কৃষকরা অধিক ফলনও পাচ্ছেন।