৩ ডিসেম্বর ২০১৮
কাউসার চৌধুরী (অতিথি প্রতিবেদক) : সিলেট-১ আসনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী এ.কে আব্দুল মোমেন শিক্ষাগত যোগ্যতার দিক দিয়ে সর্বোচ্চ ডিগ্রীধারী। পেশায় শিক্ষক। জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি’র প্রার্থী ইনাম আহমদ চৌধুরী সাবেক সচিব। তিনি জীবনে কখনো মামলার আসামী হননি।
বিএনপি’র অপর প্রার্থী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদীর সম্পদ, ঋণ ও মামলার দিক দিয়ে সকল প্রার্থীর চেয়ে এগিয়ে। ইসলামী ঐক্যজোটের প্রার্থী মাওলানা ফয়জুল হক শিক্ষকতা করে আয় করেন ১০ হাজার টাকা। জাতীয় পার্টির প্রার্থী মাহবুবুর রহমান চৌধুরী স্বশিক্ষিত। এন.পি.পি প্রার্থী ইউসুফ আহমদের কোন মামলা নেই। পেশায় হলেন সার্বক্ষণিক রাজনৈতিক কর্মী বাসদ (মার্কসবাদী) প্রার্থী উজ্জল রায়। বাসদ প্রার্থী প্রণব জ্যোতি পাল পেশায় শিক্ষক। খেলাফত আন্দোলনের প্রার্থী মাওলানা নাসির উদ্দিন মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল। শিক্ষকতা করেন ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী রেদওয়ানুল হক চৌধুরী। নির্বাচন কমিশনে দাখিল করা হলফনামায় তারা এসব তথ্য দিয়েছেন।
আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মর্যাদাপূর্ণ সিলেট-১ আসনে (সিলেট সিটি কর্পোরেশন- সিলেট সদর উপজেলা) এসকল প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র বাছাইয়ে এসকল প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ বলে ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। এর মধ্যে বিএনপি’র একজনের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের কথা রয়েছে।
আওয়ামী লীগ প্রার্থী ড. এ.কে আব্দুল মোমেন হলফনামায় উল্লেখ করেন, তিনি সিলেট নগরীর ধোপাদিঘীর পূর্বপাড় (হাফিজ কমপ্লেক্স) এর বাসিন্দা। তার পিতার নাম এ.এ আব্দুল হাফিজ। তার সর্বোচ্চ শিক্ষাগত যোগ্যতা পি.এইচ.ডি। তিনি কখনো মামলার আসামী হননি। পেশা হিসেবে লিখেছেন, শিক্ষকতা ও অন্যান্য। তিনি বাড়ী ভাড়া বাবদ ৩ লাখ ৯৮ হাজার ৪২৪ টাকা, ব্যবসায় ৩৮ হাজার ৮৩৩ টাকা, শেয়ার সঞ্চয় বাবত ৩ লাখ ৮০ হাজার ৬৯০ টাকা, পেশা থেকে ২৭ লাখ ৪১ হাজার ২২৪ টাকা, অন্যান্য খাতে ৩০ হাজার টাকা আয় করেন। অস্থাবর সম্পদ হিসেবে তার নিজের রয়েছে নগদ ১ কোটি ৭ লাখ ৯৩ হাজার ৭১০ টাকা, ১৯৪৬ দশমিক ৬৩ ইউ.এস. ডলার, ব্যাংকে জমা ১ কোটি ৯ লাখ ৭৭ হাজার ৩৮৮ টাকার, শেয়ার বাজারে ১ লাখ টাকা, সঞ্চয়পত্রে ১ লাখ টাকা, ২০ লাখ টাকার মটর গাড়ী, ৫ লাখ টাকার ইলেকট্রনিক সামগ্রী, পারিবারিক ব্যবসার পুঁজি ২২ লাখ ৮৫ হাজার ৪২৩ টাকা স্থাবর সম্পদ রয়েছে। ২২ লাখ ৫০ হাজার টাকার অকৃষি জমি, ১৯ লাখ ৭৫ হাজার ৮৮৫ টকার দালান ও ৩ কোটি ৮২ লাখ ৬ হাজার টাকার বাড়ী বা এপার্টমেন্ট। স্ত্রীর নামে রয়েছে ৫ লাখ টাকার ৫০ ভরি স্বর্ণ ও ৩ লাখ টাকার আসবাবপত্র/ ফার্নিচার। ড. মোমেনের কোন ঋণ নেই।
বিএনপি’র প্রার্থী ইনাম আহমদ চৌধুরী বর্তমানে ১৩১ মজুমদারীতে (বিমানবন্দর থানা) বসবাস করেন। তার স্থায়ী ঠিকানা গোলাপগঞ্জ উপজেলার বারকোট গ্রামে। তার পিতার নাম গিয়াসুদ্দিন আহমদ চৌধুরী। তিনি এল.এল.বি পাশ। তার বিরুদ্ধে কখনো কোন মামলা হয়নি। হলফনামায় পেশা হিসেবে লিখেন, সাবেক সচিব- জেদ্দাস্থ ইসলামিক ডেভোলাপমেন্ট’র ভিপি (ভাইস প্রেসিন্ডেন্ট) অবসরপ্রাপ্ত। বর্তমানে সমাজকল্যাণমূলক ও রাজনৈতিক কর্মকান্ডে জড়িত। তিনি বাড়ী ভাড়া থেকে ৫ লাখ ৪১ হাজার ৫৬০ টাকা ও শেয়ার সঞ্চয়পত্র থেকে ২৪ লাখ ৬৪ হাজার ৯২০ টাকা আয় করেন। অস্থাবর সম্পদ হিসেবে নিজ নামে নগদ ১১ লাখ টাকা, ১৪ হাজার ৯২০ ওয়েজ আর্নার ডলার (ইউ.এস) ব্যাংকে জমা ৬৭ লাখ ৫৯ হাজার ১৯৭ টাকা, শেয়ার বাজারে ২৫ হাজার টাকা, সঞ্চয়পত্র বা স্থায়ী আমানত (অয়েজ আর্নার বন্ড ও এফ.ডি আর) ৪ কোটি ৫৭ লাখ ৩ হাজার ১২২ টাকা, ৩১ লাখ টাকার মোটর গাড়ী, ৪ লাখ ২০ হাজার টাকার ইলেকট্রনিক্স সামগ্রী, ১ লাখ টাকার আসবাবপত্র। স্ত্রীর নামে রয়েছে নগদ ১৫ লাখ টাকা, ব্যাংকে জমা ১৪ লাখ ৯০ হাজার টাকা, শেয়ার বাজারে ৩১ লাখ ৮২ হাজার ৭৮৯ টাকা, সঞ্চয়পত্র বা স্থায়ী আমানত ১ কোটি ৬ লাখ ৯৬ টাকা, ১লাখ ২৫ হাজার টাকার ২৫ ভরি স্বর্ণ রয়েছে। এছাড়াও তারা স্বামী-স্ত্রীর যৌথ নামে স্থাবর সম্পদ হিসেবে রয়েছে বনানীতে ৮টি, ১৫টি (সম্ভাব্য) মোহাম্মদপুরে ১টি ও ১/৩ অংশ আরকে মিশনে রয়েছে এপার্টমেন্ট। এর মূল্য প্রায় ৩৯ লাখ ৮১ হাজার টাকা। ইনাম আহমদ চৌধুরীর কোন দায় দেনা নেই।
বিএনপি’র অপর প্রার্থী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদীর রাষ্ট্রবিজ্ঞানে এম এস এস পাশ। তিনি সিলেট নগরীর তোপখানার (১০১ সুরমা ভ্যালী) বাসিন্দা। তার পিতার নাম খন্দকার আব্দুল মালিক। তার বিরুদ্ধে বর্তমানে ৫টি মামলা তদন্তাধীন রয়েছে। অপর মামলায় তিনি অব্যাহতি পান। তিনি পেশায় আমদানী-রপ্তানীকারক, বস্ত্র প্রস্তুতকারক ও ক্যামিক্যাল প্রস্তুতকারক। তিনি ব্যবসা থেকে ১ কোটি ৯০ লাখ ৫৫ হাজার ৫৫৬ টাকা আয় করেন। তার স্ত্রী এপার্টমেন্ট ভাড়া থেকে ৪ লাখ ৯৫ হাজার টাকা ও ব্যবসা থেকে ২ লাখ ২৭ হাজার টাকা আয় করেন।
অস্থাবর সম্পদ হিসেবে রয়েছে নিজ নামে নগদ ৪ লাখ ৮৭ হাজার ৫১০ টাকা, ব্যাংকে জমা ৭০ লাখ ৪৩ হাজার ৪২১ টাকা, ৬ কোটি ৯৯ লাখ ৯ হাজার ৮শ টাকার শেয়ার, ১ কোটি ৮ লাখ ৩০ হাজার টাকার দুটি জীপ গাড়ী, ৫ লাখ টাকার ৫০ ভরি স্বর্ণ, ৩০ হাজার টাকার ইলেকট্রনিক সামগ্রী ও ৫০ হাজার টাকার আসবাবপত্র। স্ত্রীর নামে রয়েছে নগদ ৪ লাখ ৫৬ হাজার ৫৯০ টাকা, ব্যাংক জমা ৪ লাখা ৫৬ হাজার ৫৯০ টাকা, ৬ কোটি ১৮ লাখ ৪৩ হাজার ৩শ টাকার শেয়ার। ৫ লাখ টাকার ৫০ ভরি স্বর্ণ ও ৫০ হাজার টাকার আসবাবপত্র। স্থাবর সম্পদ হিসেবে যৌথ মালিকানায় ৪০ শতক অকৃষি জমি ও উত্তরাধীকার সূত্রে প্রাপ্ত ৪ লাখ টাকার ১০ শতক জমি। ঢাকার কাফরুলে ১ লাখ ২৫ হাজার টাকার ৩৭ দশমিক ৫ শতাংশ জমি, ময়মনসিংহের ভালুকা ও হাজিরবাজার ১২ লাখ ৬৫ হাজার ৪০০ টাকার জমি, ঢাকার গুলশানে ৮ লাখ ৮৯ হাজার টাকার ৫ কাটা জমি। যৌথ মালিকানায় রয়েছে উত্তরায় ৪০ লাখা টাকার জমি। স্ত্রীর নামে গুলশানে রয়েছে ৬৯ লাখ ৪০ হাজার টাকার দুটি এপার্টমেন্ট। ৩টি ব্যাংকে তার ৯ কোটি ১৪ লাখ ৬ হাজার ৯৯৭ টাকার ব্যবসায়িক ঋণ রয়েছে। এছাড়াও ৯ কোটি ৪১ লাখ ২৬ হাজার ৯৯৭ টাকার একক ঋণ রয়েছে। ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান, ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও পরিচালক হওয়ার সুবাদে তার নামে ৬টি ব্যাংকে ঋণ রয়েছে ৩০৩ কোটি ৯৬ লাখ ৫৪৮ টাকা। সকল ঋণই পুনঃতফসিলী করা।
উল্লেখ্য, তিনি মেসার্স সিলকর্ট, মেসার্স টেক্স ট্রেড ও মেসার্স টেক্সবিজ’র প্রোপাইটার, এফ.এম. ইয়ার্ন ডাইং লিঃ সাবাব ফেব্রিক্স লিঃ ও ক্রিয়া ইন্টারকেম লিঃ এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক।
ইসলামী ঐক্যজোটের প্রার্থী মুহাম্মদ ফয়জুল হক দাওরায়ে হাদীস পাশ। তিনি সিটি কর্পোরেশনের ১০/১ মিতালী এলাকার বাসিন্দা। তার পিতার নাম আহমদুল হক। তার বিরুদ্ধে ১টি মামলা তদন্তাধীন রয়েছে। তিনি শিক্ষকতা করে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা আয় করেন। অস্থাবর সম্পদ হিসেবে নগদ ১০ হাজার টাকা, ব্যাংকে জমা ৫০ হাজার টাকা, ১ লাখ ৫ হাজার টাকার মোটর সাইকেল, ৩০ হাজার টাকার ইলেকট্রনিক সামগ্রী ও ৫০ হাজার টাকার আসবাবপত্র রয়েছে। স্থাবর হিসেবে রয়েছে ৪ শতক জায়গায় ১ টি টিনশেড ঘর। ইসলামী ব্যাংক আম্বরখানা শাখায় তার ৫০ হাজার টাকা ঋণ রয়েছে।
জাতীয় পার্টির প্রার্থী মাহবুবুর রহমান চৌধুরী নগরীর ৬২/৩ মজুমদারীর বাসিন্দা। তার পিতার নাম মৃত মনোয়ার আলী চৌধুরী। তিনি স্বশিক্ষিত। তার বিরুদ্ধে কোন মামলা নেই। পেশা হিসেবে লিখেছেন জমিদারী। কৃষি খাত থেকে আয় করেন ৮০ হাজার টাকা। অবস্থাবর সম্পদ হিসেবে রয়েছে নগদ ২০ হাজার টাকা, ব্যাংকে জমা ৫০ হাজার টাকা, ১ লাখ ২০ হাজার টাকার ইলেকট্রনিক সামগ্রী, ২ লাখ ৭০ হাজার টাকার আসবাবপত্র, স্ত্রীর নামে ৩৫ হাজার টাকার ৫ ভরি স্বর্ণ। স্থাবর সম্পদ ৫০ লাখা টাকার ২০ একর কৃষি জমি, ৩ কোটি টাকার অকৃষি জমি ৩ একর, ১ কোটি ৫০ লাখ টাকার দুটি দালান ঘর। তার কোন দায় দেনা নেই।
এন.পি.পি’র প্রার্থী ইউসুফ আহমদ টেকনিক্যাল রোড সাধুরবাজার বাদশা মিয়ার কলোনীর বাসিন্দা। তার পিতার নাম মোঃ ইব্রাহিম মিয়া। তিনি এইচ.এস.সি পাশ। পেশায় ব্যবসায়ী ইউসুফের বিরুদ্ধে কোন মামলা নেই। তার আয় ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা। অস্থাবর সম্পদ রয়েছে নগদ ৫০ হাজার টাকা, ব্যাংক জমা ৫ হাজার টাকা। ১ লাখ ৮ হাজার টাকার একটি মোটর সাইকেল ও ৫০ হাজার টাকার আসবাবপত্র। তার স্থাবর সম্পদ নেই, কোনো দেনাও নেই।
বাসদ (মার্কসবাদী) এর প্রার্থী উজ্জল রায় বি.কম (সম্মান) পাশ। তিনি রায়নগর (দর্জিবন্দ, ১১৭ বসুন্ধরা) এর বাসিন্দা। তার পিতার নাম বিজন বালা রায়। তার বিরুদ্ধে কোন মামলা নেই। তার পেশা সার্বক্ষণিক রাজনৈতিক কর্মী। তার কোন আয় নেই। অস্থাবর সম্পদ হিসেবে রয়েছে স্ত্রীর নামে এফ.ডি.আর ২ লাখ টাকা, নিজের নামে ১ লাখ টাকার মোটর সাইকেল, স্ত্রীর নামে ৫ লাখ টাকার ১০ ভরি স্বর্ণ, ৬০ হাজার টাকার ফ্রিজ, ১ লাখ টাকার আসবাবপত্র। স্থাবর সম্পদ রয়েছে নিজ নামে ৮০ হাজার টাকার আধাপাকা বাড়ী। তার কোন ঋণ নেই।
বাসদ প্রার্থী প্রণব জ্যোতি পাল পেশায় শিক্ষক। তিনি বিএ পাশ। নগরীর সুবিদবাজার নূরানী ১১/১৬ নং বাসার বাসিন্দা তিনি। তার পিতার নাম মৃত প্রদীপ জ্যোতি পাল। তার বিরুদ্ধে কোন মামলা নেই। শিক্ষকতা করে আয় করেন ৬০ হাজার টাকা। অস্থাবর সম্পদ রয়েছে নগদ ২০ হাজার টাকা ও ৫ হাজার টাকার ইলেকট্রনিক সামগ্রী। স্থাবর সম্পদ রয়েছে ৭শতক ভূমিতে স্থাপিত টিনশেডের বাসা। তার কোন দেনা নেই।
খেলাফত আন্দোলনের প্রার্থী মাওলানা নাসির উদ্দিন তাকমীল ফিল হাদীস পাশ। তিনি কুশিঘাট বুরহানাবাদ (প্রতিশ্রুতি-৭৮) এর বাসিন্দা, তার পিতা মাওলানা আবু বকর সিদ্দিক। তার বিরুদ্ধে কোন মামলা নেই। তিনি জামিয়া ইসলামিয়া শাহ গাজী সৈয়দ বুরহান উদ্দিন (রহ:) এর অধ্যক্ষ। তার আয় ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা ও ছেলের আয় ১ লাখ ২০ হাজার টাকা। অস্থাবর সম্পদ রয়েছে নগদ ১ লাখ টাকা, ব্যাংকে জমা ১২ হাজার টাকা, ৬০ হাজার টাকার ইলেকট্রনিক সামগ্রী ও ১ লাখ ৫০ হাজার টাকার আসবাবপত্র। স্ত্রীর নামে ২ লাখ ৫০ হাজার টাকার ৫ ভরি স্বর্ণ ও মেয়ের নামে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকার ৩ ভরি স্বর্ণ। স্থাবর সম্পদ রয়েছে নিজ নামে ৪ লাখ টাকার ১টি দালান ও যৌথ মালিকানায় ৩ লাখ টাকার ৩ শতক জমি। তার কোন দেনা নেই।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মোঃ রেদওয়ানুল হক চৌধুরী বালাগঞ্জ উপজেলার সুলতানপুরের বাসিন্দা। তার পিতা আনওয়ারুল হক চৌধুরী। তিনি তাকমিল ফিল হাদীস পাশ। তার বিরুদ্ধে কোন মামলা নেই। পেশায় শিক্ষক এই প্রার্থীর আয় নিজের ১ লাখ ৩২ হাজার ১২০ টাকা ও নির্ভরশীলদের আয় ৬০ হাজার টাকা। অস্থাবর সম্পদ রয়েছে নগদ ২০ হাজার টাকা, ব্যাংকে জমা ৮০ হাজার, ১ লাখ টাকার ১টি মোটর সাইকেল, ১০ হাজার টাকার ইলেকট্রনিক সামগ্রী ও ৫ হাজার টাকার আসবাবপত্র। স্থাবর সম্পদ রয়েছে ১২ লাখ টাকার ১৫ শতক ভূমি ও যৌথ মালিকানায় ২ লাখ ৪০ হাজার টাকার ৩ শতক ভূমি। তার কোন দায় দেনা নেই।