২৯ অক্টোবর ২০১৮
নিজস্ব প্রতিবেদক : পরিবহন শ্রমিকদের নৈরাজ্য যেন থামছে না। তাদের হাতে জিম্মি হয়ে পড়েছে সাধারণ যাত্রী থেকে শুরু করে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরাও।
সোমবার টানা দ্বিতীয় দিনের মতো চলছে পরিবহন শ্রমিকদের কর্মবিরতি। তবে তারা রিকশা, প্রাইভেট গাড়ি এমনকি অ্যাম্বুলেন্স পর্যন্ত চলতে দিচ্ছে না। রোববার বড়লেখায় অ্যাম্বুলেন্স আটকে রাখার কারণে ৭ দিনের এক শিশুর প্রাণ গেলেও তারা আজকেও একইভাবে অ্যাম্বুলেন্স আটকে দিচ্ছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, দক্ষিণ সুরমার কদমতলী, হুমায়ুন রশিদ চত্ত্বর, চন্ডিপুল পয়েন্টসহ বিভিন্ন জায়গায় গাড়ি চলাচলে বাঁধা দিচ্ছেন পরিবহন শ্রমিকরা। তারা সাধারণ যাত্রীদের গাড়ি থেকে নামিয়ে দিচ্ছেন। এতে অনেকে বাধ্য হয়ে পায়ে হেঁটে গন্তব্যস্থলে যাচ্ছেন।
হুমায়ুন রশিদ চত্ত্বর ও কদমতলীতে দেখা য়ায়, রিকশা থেকে যাত্রীদের নামিয়ে চাকার বাতাস ছেড়ে দেয়া হচ্ছে।
অনেক জায়গায় অ্যাম্বুলেন্স আটকে দেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এদিকে এয়ারপোর্ট সড়কে বিদেশযাত্রীরা পড়েছেন বিপাকে। তাদের অনেককে চাঁদা দিয়ে গন্তব্যে যেতে হচ্ছে।
রোববারও সিলেটে ব্যাপক নৈরাজ্য চালায় পরিবহন শ্রমিকরা। বিয়ানীবাজারে বরযাত্রীদের সাথে সংঘর্ষ হয়েছে পরিবহন শ্রমিকদের। হবিগঞ্জে আহত হয়েছেন এক সংবাদকর্মী। সিলেট নগরীতে প্রাইভেট কার চালককে মারধর ছাড়াও অনেক জায়গায় পিকেটিংসহ বিদেশ ফেরত যাত্রীদের কাছ থেকে করেছে চাঁদাবাজি।