৭ আগস্ট ২০১৭
সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি : সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলা সীমান্তের ডিসি নীলাদ্রী লেকে নিখোঁজ ওয়াহিদ পলিন (২৮) নামের এক পর্যটকের লাশ তিন দিন পর ভেসে উঠেছে। নিহত ওয়াহিদ পলিন (২৮) কুমিল্লা জেলার মুরাদনগর উপজেলার সাংলাজুর গ্রামের মোস্তফা কামালের ছেলে। পলিন বসুন্ধরা গ্রুপে চাকরি করতেন এবং মিরপুর ১৪ এর ডেসকো কোয়াটারে থাকতেন।
সোমবার সকালে লেকের মধ্যখানে ভাসমান অবস্থায় লাশ দেখতে পায় স্থানীয় লোকজন। খবর পেয়ে লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
টাংগুয়ার হাওরের দায়িত্বে থাকা সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শাকিল আহমেদ জানান, নিখোঁজের পর থেকে গত দুই দিন পুলিশ, বিজিবি ও ডুবুরিদল প্রাণপণ চেষ্টা চালিয়ে লেকের পানিতে ডুবে যাওয়া নিখোঁজ পলিনের সন্ধ্যান পায়নি। যে স্থানে পলিন নিখোঁজ হয়েছেন সে স্থান থেকে অন্তত ৩০ গজ দূরে লাশ ভেসে উঠে আজ।
লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
গত শুক্রবার সকালে সুনামগঞ্জ থেকে তাহিরপুর উপজেলার উদ্দেশ্যে রওনা হয়ে ট্যাকের নীলাদ্রী, বারেকটিলা টাংগুয়ার হাওরসহ বিভিন্ন পর্যটন স্পট ঘুরে রাতে ট্যাকেরঘাটে অবস্থান করেন ওয়াহিদ পলিনসহ তার পাঁচ বন্ধু। শনিবার দুপুর ২টার দিকে ওয়াহিদ পলিন, রশনি নাহার, নাহিদ, কিশোরী ফেরদৌস বাঁধনসহ সবাই মিলে নীলাদ্রী লেকে গোসল করতে নামেন। সাঁতার না জানায় পলিন লেকের কাছেই গোসল করেন। এক পর্যায়ে অসাবধানতাবশত গভীর জলে তলিয়ে যান।
(আজকের সিলেট/৭ আগষ্ট/ডি/ডিআর/ঘ.)